ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাদারীপুর-২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জাহান্দার আলী মিয়া সমর্থক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ্যর সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে সদর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের কালির বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ্যর কলস প্রতীকের নির্বাচনী গণসংযোগ-কালে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় আহতরা হলেন বেল্লাল বেপারি, এ্যাডভোকেট মহিদুল মাতব্বরসহ অজ্ঞাত ১০ জন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে মাদারীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ্য তার সমর্থকদের নিয়ে কালিরবাজার এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জাহান আলী মিয়া (ধানের শীষ প্রতীক) এর সমর্থকরা মুখোমুখি অবস্থানে নিয়ে নিজ নিজ প্রতীকের স্লোগান দিলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। প্রথমে ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দুগ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছে । হামলার ঘটনায় আহত একজনকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়েছে বাকিদেরকে মাদারীপুর জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এঘটনার পর থেকে কালিরবাজার ও আশপাশের এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী,র্যাব এবং পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ধানের প্রতীকের সমর্থকরা স্বতন্ত্র প্রার্থী সমর্থকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে কাজী মিঠু জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী কলস মার্কা কর্মীরা আমাদের নির্বাচনি ক্যাম ভাঙচুর করে এবং আমাদের প্রার্থী ধানের শীষের প্রতীকের ব্যানার ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলেছে।
এ ঘটনায় স্বতন্ত্র কলস মার্কা প্রতীকের প্রার্থী মিল্টন বৈদ্য উল্টো ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, তারা আমাদের কর্মী ও আমার উপর হামলা করেছে এবং আমার অবস্থান ভালো হওয়ায় এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ঘটনার আমি সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে গঠনের স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

