শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে কোন দোকান বা পয়েন্টে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করা যাবে না। এটা দণ্ডনীয় অপরাধ। খুব শীঘ্রই এব্যাপারে মোবাইল কোর্টের অভিযান হবে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত 'জেলা পর্যায়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে টাস্কফোর্স কমিটির ত্রৈমাসিক সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
সভায় জানানো হয়, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ মোতাবেক গত জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাসে জেলায় মোট ১১টি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৯জনকে ৩,১৫০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক ও টাস্কফোর্সের সভাপতি নাজমুন আরা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসান, টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য-সচিব ও সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. আব্দুল্লাহ-আল-আজিজ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহজাহান সিরাজ, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দিন আহমেদ, মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস, বিআরটিএ'র সহকারি পরিচালক মাহবুব কামাল, সমাজসেবা কর্মকর্তা মোস্তফা হাবীব, জেলা ক্রীড়া অফিসার ফেরদৌসী আক্তার বন্যা, পুলিশ পরিদর্শক মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম,
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্সা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওমর ফারুক, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর খাদেমুল ইসলাম, পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মীর মো. জসীম উদ্দীন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারি পরিচালক আব্দুল হামিদ মিয়া, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক মোরশেদ আলমসহ টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যবৃন্দ।
সভায় আরও জানানো হয়, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ অধিকতর সংশোধনকল্পে ২০২৬ সনের ৯১ নং আইন প্রণীত হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী কোন ব্যক্তি পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করলে তাকে ২০০০ টাকা জরিমানা করা হবে। আগে এই জরিমানা ছিলো ৩০০ টাকা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

