ফুলবাড়ীয়া সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থাকা কৃষ্ণচূড়া গাছটি এই গ্রীষ্মকালে নয়নমুগ্ধকর ফুলে ভরে উঠে বিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
শরৎকালকে প্রকৃতির রানি বলা হলেও গ্রীষ্ম প্রকৃতিকে নতুন রূপে, নতুন সাজে সাজিয়ে তোলে। এ সময় গ্রামবাংলার সর্বত্র নানা রঙের ফুলের সমাহারে সৃষ্টি হয় বৈচিত্র্যময় পরিবেশ। এমন দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ চোখ জুড়ায় প্রকৃতিপ্রেমীদের। সবুজ গাছপালার মাঝে আগুনরঙা কৃষ্ণচূড়া প্রকৃতিতে আনে ভিন্ন আমেজ। গ্রীষ্মের তপ্ত রোদে বৈশাখের আকাশের নিচে কৃষ্ণচূড়া মেলে ধরে তার অপরূপ সৌন্দর্য।
বাহারি এই ফুলের চোখধাঁধানো রূপ প্রকৃতিতে এনে দেয় উজ্জ্বলতা। কৃষ্ণচূড়ার রাঙা মঞ্জরী পথিকের ক্লান্তি ভুলিয়ে দেয়। লাল রঙে সজ্জিত এই গাছ যেন নীরবে এক মুগ্ধতার বার্তা ছড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে ফুলবাড়ীয়া সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থাকা কৃষ্ণচূড়া গাছটি সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ ছড়াচ্ছে।
দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি নানা রঙে সাজতেও পছন্দ করে কৃষ্ণচূড়া। সাধারণত লাল রঙের পাশাপাশি হলুদ ও সাদা রঙের কৃষ্ণচূড়াও দেখা যায়, যদিও সেগুলো খুবই বিরল। স্থানীয়দের মতে, রাধা-কৃষ্ণের নামের সঙ্গে মিলিয়েই এ গাছের নামকরণ হয়েছে ‘কৃষ্ণচূড়া’।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে কৃষ্ণচূড়া গাছটি ডালপালা মেলে দাঁড়িয়ে রয়েছে। গাছে ফুটে থাকা লাল ফুল পুরো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাঙিয়ে তুলেছে।
এই কৃষ্ণচূড়া গাছটি দেখতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা ভিড় করছে। তারা এখানে এসে ছবি তুলছে এবং সময় কাটাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা জানায়, “কৃষ্ণচূড়ার ফুলগুলো দেখতে খুবই সুন্দর লাগে, তাই এর সঙ্গে ছবি না তুললেই নয়।” এছাড়াও এলাকার মানুষ গাছটির ফুল দেখতে ভিড় জমাচ্ছে।
ফুলবাড়ীয়া সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবু ওবায়দা বলেন, “প্রতিদিন সকালে বিদ্যালয়ে এসে কৃষ্ণচূড়ার ফুলগুলো দেখলেই মন ভরে যায়।”
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

