ফরিদপুর সদরের উপজেলায় আ.লীগ ও বিএনপির দুই নেতার সমর্থকদের পাল্টাপাল্টি হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকাল ৮ টার দিকে কানাইপুর ইউনিয়নের ফুসরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
কানায়পুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আক্কাস মাতুব্বর এবং একই ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাসেম খানের সমর্থকদের পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় আহত হয়েছেন ৮ জন। এ সময় প্রায় ২০ বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এর আগে রোববার বিকেল থেকে ওই এলাকায় একটি পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে হাশেম খান ও আক্কাস মাতুব্বরের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এ সময় একপক্ষের একটি গাড়ি (কুমিল্লা-ক-০২.০১৭১) ভাঙচুর করা হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আক্কাস মাতুব্বর এবং হাশেম খানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। রোববার বিকেলে ওই এলাকার একটি পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে তাদের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে সোমবার সকাল ৮ টার দিকে ঢাল সড়কি লাঠিসোটা নিয়ে হাসেম খানের শতাধিক সমর্থকরা গিয়ে আক্কাস মাতুব্বরের বাড়িসহ তার সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা করে ভাঙচুর চালায়। এ সময় গরু-ছাগলসহ মালামাল লুটের ঘটনা ঘটে। এর কিছুক্ষণ পরেই আক্কাস মাতুব্বরের সমর্থকরা সংগঠিত হয়ে হাসেম খাঁ ও তার সমর্থকদের বাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৮ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে মারাত্মক আহত তিনজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এ ব্যাপারে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান বলেন, পাল্টাপাল্টি হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে ঘটনাস্থল এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। লিখিত অভিযুক্ত লাইনে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

