সোনারগাঁয়ের দড়িকান্দী-অলিপুরা সড়ক

বৃষ্টি হলেই বাড়ে দুর্ভোগ

ফজলে রাব্বী সোহেল, সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ)

বৃষ্টি হলেই বাড়ে দুর্ভোগ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের সনমান্দী ইউনিয়নের দড়িকান্দি-অলিপুরা সড়ক দীর্ঘদিন ধরে মেরামত না হওয়ায় সড়কটিতে বড় বড় অনেক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বৃষ্টি হলে এসব গর্তে পানি জমে যানবাহন ও সাধারণ পথচারীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।

জানা যায়, উপজেলার সনমান্দী ইউনিয়নের অলিপুরা বাজার থেকে দড়িকান্দি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার সড়কটি দীর্ঘ প্রায় ছয়-সাত বছর ধরে সংস্কার করা হয় না। এর মধ্যে তিন কিলোমিটার সড়ক সবচেয়ে বেশি বেহাল হয়ে পড়েছে। ছোট-বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বিকল্প রাস্তা না থাকায় এই সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে অ্যাম্বুলেন্স, সিএনজি, অটোরিকশা, লেগুনা, নসিমন, ইজিবাইক, মোটরসাইকেল, ট্রাকসহ সাধারণ পথচারী। এই সড়কের পাশে শিল্পপ্রতিষ্ঠান, দুটি কমিউনিটি ক্লিনিক, চারটি মসজিদ, কয়েকটি মাদরাসা, একটি হাইস্কুল, একটি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনসহ চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রতিদিন অন্তত অর্ধলাখ মানুষ এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে থাকে। সরেজমিনে দেখা যায়, নাজিরপুর সড়কটিতে হাঁটুপানি জমে আছে। পানি নেমে যাওয়ার মতো কোনো ড্রেন বা নালা নেই। ইঞ্জিনে পানি ঢুকে তিনটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা বন্ধ হয়ে গেছে। চালকরা ধাক্কা দিয়ে ও টেনে অটোরিকশাগুলো গর্ত থেকে ওঠানোর চেষ্টা করছেন। পথচারীরা কাদা পানি দিয়েই হেঁটে রাস্তা পার হতে দেখা গেছে। সনমান্দী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরুল হক টিক্কা বলেন, বর্তমানে সড়কটিতে যানবাহন চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অথচ এ সড়ক ব্যবহার করে প্রায় প্রতিদিন উপজেলার সাদিপুর, বারদী, জামপুর ও সনমান্দী ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ নানা গন্তব্যে যায়। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকাসহ সোনারগাঁ উপজেলা সদরে আসতে হলেও এ সড়কই একমাত্র ভরসা। বিকল্প কোনো সড়ক নেই।

বিজ্ঞাপন

সোনারগাঁ উপজেলা প্রকৌশলী সোহেল রানা বলেন, এই রাস্তার জন্য বরাদ্দ চেয়ে নারায়ণগঞ্জ এলআরডি নির্বাহী প্রকৌশলীকে গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত কর্মসূচি প্রকল্পের আওতায় স্কিমের প্রাক্কলন প্রেরণ করা হয়েছে। বরাদ্দ আসলে কাজ করা হবে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন