মেহেরপুরের মুজিবনগর সীমান্তের শূন্যরেখায় মায়ের লাশ শেষবারের মতো দেখার সুযোগ পেলেন বাংলাদেশে থাকা মেয়ে ও তার পরিবারের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার সকালে বিজিবি ও বিএসএফের উদ্যোগে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে তাদের এ সুযোগ করে দেওয়া হয়।
জানা গেছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চাপড়া থানার গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা মোছা. জায়রা (৭০) বার্ধক্যজনিত ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। খবর পেয়ে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা জায়রার মেয়ে হাফিজা খাতুন ও জামাতা ফিকির আলী শেষবারের মতো তাকে দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
বিষয়টি বিজিবিকে জানানো হলে, বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সহযোগিতায় লাশ দেখানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়। মুজিবনগর উপজেলার নাজিরাকোনা বিওপির টহল কমান্ডার হাবিলদার শরিফুল ইসলামসহ পাঁচজন বিজিবি সদস্য এবং বিএসএফের ইন্সপেক্টর এস কে রায়সহ পাঁচজন বিএসএফ সদস্যের উপস্থিতিতে ১০৯ নম্বর মেইন পিলারের কাছে শূন্যরেখায় জায়রার লাশ তার মেয়েসহ পরিবারের সদস্যদের দেখানো হয়।
মায়ের মুখ শেষবারের মতো দেখতে পেরে বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন হাফিজা ও তার স্বামী। এ সময় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরাও তাদের সহানুভূতি জানান। পরে ভারতের নিজ গ্রামে ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী জায়রার দাফন সম্পন্ন হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

