বার্ধক্যজনিত রোগযন্ত্রণা সইতে না পেরে যশোরের কেশবপুরে দুই বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন। হাসপাতাল ও থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাঁচপোতা গ্রামের মৃত হাজারি লাল দাসের ছেলে পঞ্চানন দাস (৭০) পেটের ব্যথা সহ্য করতে না পেরে শুক্রবার রাতে তাদের ঘরে থাকা ঘাস মারা বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান।
তার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে সেই রাতেই তাকে কেশবপুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় শনিবার সকালে তিনি মারা যান। খবর পেয়ে থানার পুলিশ হাসপাতাল থেকে তার সুরৱহাল রেকর্ড করেছে।
এছাড়া একই রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কড়িয়াখালী গ্রামের ছবেদ আলি গাজীর ছেলে রুহল কুদ্দুস (৬০) বাধক্যজনিত যন্ত্রণা সইতে না পেরে গামছা নিয়ে তাদের রান্নাঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। বাড়ির লোকজন শনিবার সকালে বিষয়টি টের পেয়ে রান্নাঘর থেকে তাকে উদ্ধার করে কেশবপুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার রেহেনেয়াজ বলেন, কেশবপুরে পঞ্চানন দাস ও কুদ্দুস নামে দুই বৃদ্ধ রোগযন্ত্রণা সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন।
কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হাফিজুর রহমান বলেন, কেশবপুরে দুই বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন। এ খবর পেয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তাদের সুরতহাল সংগ্রহ করেছেন। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় তাদের লাশ দাফন ও সৎকারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

