চুয়াডাঙ্গায় জেলা বাস মালিক ও শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। সোমবার রাত ১১টার দিকে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফের আশ্বাসে ১৭ ঘণ্টা পর ধর্মঘট তুলে নেওয়া হয়।
সোমবার সকাল থেকে আন্তঃজেলার পাঁচ রুটে বাস চলাচল বন্ধ ছিল। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছিলেন সাধারণ যাত্রীরা। বাস-মিনিবাস শ্রমিকদের ওপর হামলা, মারধর ও বাস আটকে রাখার প্রতিবাদে এই কর্মসূচি পালন করেছিল চুয়াডাঙ্গা বা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।
ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণার পর সোমবার রাত থেকেই চলাচল শুরু করে সব রুটের বাস, মিনিবাস ও দূরপাল্লার গাড়ি। এতে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
চুয়াডাঙ্গা আন্তঃজেলা বাস-মিনিবাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘পরিবহন শ্রমিকদের ওপর হামলা ও মহাসড়কে গাড়ি আটকানোর প্রতিবাদে যে ধর্মঘট ডাকা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। জেলা পরিষদের প্রশাসকের আশ্বাসে ধর্মঘট তুলে নেন তারা। তবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত এলে জানানো হবে। এখন থেকে সব রুটে যথারীতি বাস চলাচল করবে।’
উল্লেখ্য, গত রোববার দামুড়হুদার ফকিরপাড়ায় থ্রি-হুইলার ইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত ভ্যানচালকদের সঙ্গে লোকাল বাসশ্রমিকদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বাসের শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বাসশ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার সকাল ৬টা থেকে ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ইজিবাইকচালকেরা বাসচালকদের ব্যারিকেড দিয়ে মহাসড়কে বাস থামিয়ে রাখেন। প্রায় ৫ ঘণ্টা ধরে ইজিবাইক চালকদের এই সড়ক অবরোধ চলে। যার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছিলেন শ্রমিকেরা।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

