কুষ্টিয়ায় জেলা কার্যালয় অবরুদ্ধ করে পৌর কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এরআগে শুক্রবার (২৭ জুন) কুষ্টিয়া পৌর বিএনপির দ্বি বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি পদে প্রার্থী ছিলেন ৬ জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ২ জন। এ কে বিশ্বাস বাবু ছাতা প্রতীকে ৬১১ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আক্তারুজ্জামান কাজল মাজমাদার চেয়ার প্রতীকে পান ৫৯৫ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে মোরগ প্রতীকে ৭৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মো. কামাল উদ্দিন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল হাকিম মাসুদ মই প্রতীকে ৬২১ ভোট পান।
এই নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন অ্যাড. আব্দুল মজিদ, নির্বাচন কমিশনার ছিলেন অ্যাড. নুরুল ইসলাম নুরুল, অ্যাড. রাশেদুল ইসলাম, অ্যাড. এস এম বদিউজ্জামান ও অ্যাড. খাইরুল ইসলাম।
পরদিন শনিবার কারচুপির অভিযোগ তুলে ভোট পুনর্গণনার দাবিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন পরজিত সভাপতি প্রার্থী কাজল মাজমাদার।
এদিন বিকেলে জেলা কার্যালয়ে অবস্থান নেন তিনি ও তার সমর্থকরা। পরে নির্বাচন কমিশনার জেলা বিএনপির সাবেক আইনবিষয়ক সম্পাদক আবদুল মজিদ জেলা বিএনপির নেতাদের উপস্থিতিতে আবার ভোট গণনা করেন। সেখানে বাতিল হওয়া ভোটের মধ্যে ৪টি ভোট কাজল মাজমাদার পান। ফলে তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৯৯। এরপর থেকে পুনরায় কুষ্টিয়া পৌর বিএনপির ভোটগ্রহণের দাবিতে কর্মসূচি পালন করে আসছেন তারা।
এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে শহরের কোর্টপাড়ায় জেলা কার্যালয় অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (দুপুর ১টা) বিক্ষোভ চলছে।
এই বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আক্তারুজ্জামান কাজল মাজমাদার। এতে আরো উপস্থিত আছেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম রিন্টু, জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি মেজবাউর রহমান পিন্টু, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস. এম. গোলাম কবিরসহ প্রায় দু’শতাধিক নেতাকর্মী।
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাকির হোসেন সরকারকে একাধিকবার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আমার দেশকে বলেন, আমি একটি মিটিংয়ে আছি। আধা ঘণ্টা পরে কথা বলব।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

