চুয়াডাঙ্গায় বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ। এর তিন ঘণ্টা আগে সকাল ৬টায় জেলার তাপমাত্রা একই ছিল। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ।
রাত থেকেই চুয়াডাঙ্গার আকাশ কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকছে। উত্তরের দিক থেকে বয়ে যাওয়া কনকনে হিমেল হাওয়া শীতের অনুভূতি আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে শহর ও গ্রাম—উভয় এলাকাতেই জনজীবন অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। শীতের তীব্রতায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে ছিন্নমূল ও নিম্নবিত্ত মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তীব্র শীতে মানুষ জুবুথুবু অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যাও বাড়ছে। ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও জ্বরে আক্রান্ত হয়ে শিশু ও বয়স্করা বেশি ভুগছে।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ । এর তিন ঘণ্টা পর সকাল ৯টায় তাপমাত্রা একই ছিল। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ ।
তিনি বলেন, উত্তরের এই শীতল বাতাস আরো কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে শীতের তীব্রতা আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এসআই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

