খুলনার কয়রা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলামের বাড়ি থেকে তিন যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তারা নিজেদের ছাত্র সমন্বয়ক ও এনসিপি নেতা পরিচয় দিয়েছিলেন।
সোমবার বিকেলে নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার নেসার উদ্দিন সড়কে অবস্থিত ওই বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়। দীর্ঘদিন ঢাকায় আত্মগোপনে থাকার পর সম্প্রতি শফিকুল ইসলাম খুলনায় ফিরে ওই বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
আটককৃতরা হলেন মেহেদী হাসান মিরাজ, আল নাহিয়ান ও মিরাজ গাজী। এ ঘটনায় শফিকুল ইসলামের মেয়ে শাহনাজ পারভীন বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
সোনাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, শফিকুল ইসলামের মেয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে জানিয়ে ওসি বলেন, সবগুলো মামলায় তিনি জামিনে আছেন।
এনসিপির জেলা সমন্বয়কারী মাওলানা মাহমুদুল হাসান ফয়জুল্লাহ বলেন, আটক ব্যক্তিরা এনসিপি বা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো কমিটিতে নেই। অভিযোগ সত্যি হলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। সেই সঙ্গে অর্ধডজন মামলা নিয়ে যুবলীগ সভাপতি দীর্ঘদিন ধরে ওই বাড়িতে অবস্থানের পরও পুলিশ কেন তাকে গ্রেপ্তার করেনি-সেই প্রশ্নেরও উত্তর খোঁজা উচিত।
শাহনাজ পারভীন বলেন, আটক যুবকরা নিজেদের ‘সমন্বয়ক’ পরিচয় দিয়ে তার বাবার কাছে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। দাবি পূরণ না হলে বাবাকে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন তারা। বিষয়টি বুঝতে পেরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

