জামালপুরে স্বামীকে গাছের সাথে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। এছাড়া একজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। এছাড়াও প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়।
বুধবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন- জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের পাকুল্যা মধ্যেপাড়া গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে মো. ফারুক হোসেন, আলী আকবরের ছেলে মুনছুর আলী ও শফিকুল ইসলামের ছেলে ফেরদৌস হোসেন।
এদিকে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পেয়েছে একই এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, গৃহবধুর স্বামী একজন ব্রয়লার মুরগী ব্যবসায়ী। ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই স্বামীর ব্যবসায়িক প্রয়োজনে সেলিম নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়েছিলেন তারা। কাজ শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার পাকুল্লা এলাকায় স্বামীর সাথে বাড়ির দিকে ফিরছিলেন । এমন সময় আসামিরা তাদের দেখে বিভিন্ন রকম কথা বলে এবং খারাপ কিছু সন্দেহ করে। নিজেদের স্বামী ও স্ত্রী পরিচয় দেয়ার পরও তারা বিশ্বাস করেনি। পরে স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে আসামিরা।
পিপি ফজলুল হক আরো জানান, এ ঘটনার পরদিন গৃহবধূ বাদী হয়ে জামালপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আসামিদের অনুপস্থিতিতে আদালত তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

