‘আমাকে দুই বছর সময় দিন, আমার নির্বাচনি এলাকায় কোনো উন্নয়ন কাজ অবশিষ্ট থাকবে না- বৃহস্পতিবার বিকালে সারা দেশের ন্যায় কিশোরগঞ্জের কুলিয়াচরে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও বিভিন্ন ভাতা এবং অসহায় দরিদ্রদের মাঝে রিকশা সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এমপি।
উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত, উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাফফাত আরা সাঈদের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফ আরও বলেন, যারা সাত মাসের মাথায় সরকারকে ফেলে দিতে চায়, টেনে নামাতে চায়, আমার মনে হয় তাদের অন্য রকম প্ল্যান আছে। তারা পতিত ফ্যাসিস্টের সঙ্গে মিলে সরকারের উন্নয়ন ধারাকে ব্যাহত করতে চায়।
তাই যারা আজ সরকারের ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মোয়াজ্জিন ভাতা, চিকিৎসা ভাতাসহ নানা সুবিধা ভোগ করছেন, তাদের সতর্ক থাকতে হবে। সবাই মিলে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাত্র তো সরকারের পথচলা শুরু। এরমধ্যে ভৈরব-কুলিয়াচরচরে নানা উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার কুলিয়ারচর উপজেলার উছমানপুর ইউনিয়নের নাজিরদীঘি ব্লকে ১ হাজার ৭৮ কৃষকের মধ্যে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়ন এবং ভৈরবেও অনুরূপ কার্ড বিতরণ করা হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মর্জিনা আক্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শাহ আলম প্রমুখ।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

