বালুবাহী ডাম্পট্রাকের কারণে জেলা শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সারিয়াকান্দির চন্দনবাইশা-বগুড়ার ১৯ কিলোমিটাার দীর্ঘ বাইপাস সড়কের বেহালদশা বিরাজ করছে। সড়কটির স্থানে স্থানে কার্পেটিং ওঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে মানুষ।
জানা গেছে, এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সিএনজিচালিত থ্রি হুইলার, ভ্যান, রিকশা ও মোটরসাইকেল ছুটে চলে এ পথে। সম্প্রতি বালুবাহী ডাম্পট্রাক চলাচল বাড়ার কারণে বিভিন্ন স্থানে গর্ত আর ভাঙাচোরা রাস্তায় প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। এ রাস্তায় হেঁটে চলাচল করাও দুষ্কর হয়ে পড়েছে। বর্ষার দিনে গর্তে পানি জমে থাকায় সড়কটি রীতিমতো মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় ঘুঘুমারী গ্রামের কুদরত-ই-খুদা চাঁন বলেন, বালুবাহী ট্রাকের কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে হয় রোগী ও স্বজনদের। বিশেষ করে চরের পাঁচ ইউনিয়ন ছাড়াও জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা-যাওয়া করা রোগীদের দুর্ভোগের শেষ নেই। অটোরিকশাচালক হাসেম আলী বলেন, এ রাস্তা দিয়ে যাত্রী তুলতে গেলে প্রতিদিনই গাড়ির ঝাঁকুনিতে যান্ত্রিক ত্রুটি হয়। মাঝেমধ্যে গাড়ি থেকে যাত্রী পড়ে গিয়ে ঘটে দুর্ঘটনা। স্থানীয় শেখপাড়া গ্রামের সোহান শেখের অভিযোগ, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
২০২৩ সালে রাস্তাটির সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার পর কয়েক মাস না যেতেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দেয়। তখন আবার মেরামত করা হলেও কিছুদিন যেতে না যেতেই সড়কে এ অবস্থা। বিশেষ করে সড়কের করিতলা থেকে রৌহদহ পর্যন্ত সড়কে দিন-রাত বালুবাহী ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে সড়কে সৃষ্টি হওয়া ছোট-বড় অসংখ্য গর্তে দুর্ভোগের শেষ নেই । এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী তুহিন সরকার বলেন, এ ধরনের যানবাহন চলাচলের জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

