যুব ও ছাত্রদল নেতাদের সংবাদ সম্মেলন

চাঁদাবাজির মামলাটি ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি

চাঁদাবাজির মামলাটি ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি

রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানায় ছাত্র ও যুবদলের দুই নেতাসহ ৫৬ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলাকে ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করেছেন আসামিরা।

শনিবার ‘ভুক্তভোগী বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের ব্যানারে জেলা ও মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে মামলার আসামি রাজশাহী জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোজাদ্দেদ জামানি সুমন, বোয়ালিয়া থানা (পশ্চিম) বিএনপির সভাপতি শামসুল ইসলাম মিলু ও রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রদলের সদস্যসচিব এমদাদুল হক লিমনসহ অন্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত বুধবার রাতে ৩৬ জনের নাম উল্লেখসহ মোট ৫৬ জনের বিরুদ্ধে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা করেন মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক ডেভেলপার ব্যবসায়ী।

তাঁর অভিযোগ, ২ লাখ টাকা চাঁদার জন্য আসামিরা চাপ দিচ্ছিলেন এবং তাকে অপহরণ করে নিয়ে নির্যাতন করেছেন। এছাড়াও থানায় নিয়ে চাপ দিয়ে মাত্র ২৭ লাখ টাকায় শহরের প্রাণকেন্দ্রে একটি ভবনের ১৩শ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট যুবদল নেতা সুমনের নামে লিখে দিতে বায়নানামার চুক্তিপত্রে বলপূর্বক সই করিয়ে নেয়া হয়।

নগরীর প্রাণকেন্দ্র ঘোড়ামারা এলাকায় ১৩শ বর্গফুটের ফ্ল্যাটের বর্তমান বাজারমূল্য অর্ধকোটি টাকারও বেশি। তবে সংবাদ সম্মেলনে যুবদল নেতা সুমন সে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, উভয়ের সম্মতিতেই চুক্তি হয়েছে। ২ লাখ টাকা চাঁদার জন্য অপহরণের অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘মোস্তাফিজুর রহমান একজন প্রতারক। তিনি সাবেক মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন ও তার স্ত্রী রেনীর ঘনিষ্ঠজন এবং আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের আর্থিক পৃষ্ঠপোষক।

এ ব্যাপারে রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, বাদী যাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন, সেটিই রেকর্ড করা হয়।

মামলার আসামিদের সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে তিনি বলেন, এই মামলাটা তদন্ত পর্যায়ে আছে। তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন