আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

বিএনপি চায় সব আসন পুনরুদ্ধার, দুটিতে শক্তিশালী জামায়াত

শেখ আনোয়ার হোসেন, নওগাঁ

বিএনপি চায় সব আসন পুনরুদ্ধার, দুটিতে শক্তিশালী জামায়াত
আমার দেশ গ্রাফিক্স

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত না হলেও নওগাঁয় মাঠে নেমে পড়েছেন প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা । গত ঈদুল আজহায় তারা এলাকায় গণসংযোগ করেছেন। ঈদ উদযাপন করতে নিজ নিজ গ্রামে ফিরেছিলেন কর্মজীবী মানুষ। সে সময় নানাভাবে তাদের কাছে যাওয়া ও তাদের নজরকাড়ার চেষ্টা করেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। এক্ষেত্রে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের বেশি সরব দেখা গেছে। অন্যান্য দলের নেতাকর্মীদের তৎপরতা তেমন চোখে পড়েনি।

নওগাঁ জেলায় জাতীয় সংসদের আসন রয়েছে মোট ছয়টি। সবগুলোতেই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা দিয়েছে জামায়াত। নওগাঁ জেলা ছিল একসময় বিএনপির ঘাঁটি। জেলার সবকটি আসনই বিএনপির দখলে ছিল। তবে ২০০৮ সাল থেকে সাজানো নির্বাচনে আসনগুলো দখলে নেয় আওয়ামী লীগ। দলটির সংসদ সদস্যরা নওগাঁ জেলায় চালিয়ে গেছেন রামরাজত্ব।

বিজ্ঞাপন

জেলার বিভিন্ন সংসদীয় এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নির্বাচন সামনে রেখে মাঠে সরব রয়েছে বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন। বিএনপি নেতাদের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়ে গেছে। মনোনয়নপ্রত্যাশীরা কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি করেছে। মাঠে নেই জাতীয় পার্টি, গণঅধিকার পরিষদসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল। তবে সম্প্রতি এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা নওগাঁ জেলায় রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের জানান দিয়ে গেছে। এ অবস্থায় দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীদের দল গোছানোর জন্য তৎপরতা চালাতে দেখা গেছে।

নওগাঁ সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম খান বলেন, বিগত সময়ে যেভাবে নির্বাচন হয়েছে, তা আমরা চাই না। স্বাধীনভাবে মুক্ত পরিবেশে ভোট দিতে চাই। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিও প্রত্যাশা, তারা দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ প্রার্থীকে মনোনয়ন দেবে। ৫ আগস্ট-পরবর্তী সরকারের কাছে আমার প্রত্যাশাÑবিশ্বদরবারে যেন আমরা একটি ভালো নির্বাচন উপহার দিয়ে কলঙ্কমুক্ত হতে পারি।

নওগাঁ-১ (পোরশা, সাপাহার ও নিয়ামতপুর)

বিএনপির ঘাঁটিখ্যাত নওগাঁ-১ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে ছয় নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন এ আসন থেকে পরপর তিনবার নির্বাচিত সাবেক এমপি ডা. ছালেক চৌধুরী। তিনি নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি। এ ছাড়া আলোচনায় আছেন ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান। বিএনপি থেকে এ আসনে আরো নির্বাচন করতে চান পোরশা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা প্রকৌশলী খালেদ হাসান চৌধুরী পাহিন, পোরশা উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ্ আহম্মদ মোজাম্মেল চৌধুরী ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক নেতা মাহমুদুস সালেহীন। মাঠে প্রচার চালাচ্ছেন জামায়াতের একক প্রার্থী অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম। তিনি সাপাহার আল-হেরা ইসলামী একাডেমির অধ্যক্ষ। মাঠে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরাও।

নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি ডা. সালেক চৌধুরী বলেন, বিএনপি ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। তাছাড়া আমি এ আসনের তিনবারের নির্বাচিত এমপি; সংগত কারণে আমি দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী।

জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম বলেন, ঘুস-দুর্নীতিমুক্ত ও উন্নয়নবান্ধব মানবসেবাই রাজনৈতিক নেতৃত্বের মাপকাঠি। আসন্ন নির্বাচনে দুর্নীতিমুক্ত, যুববান্ধব ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য আমরা আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছি।

নওগাঁ-২ (পত্নীতলা-ধামইরহাট)

জামায়াতে ইসলামীর এমপি প্রার্থীর নাম ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে দলটি। তবে এনসিপি, গণঅধিকার পরিষদ, আমার বাংলাদেশ পার্টিসহ অন্যান্য দলের তৎপরতা নেই। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সাতজনের নাম শোনা যাচ্ছে। তারা হলেনÑবিএনপির কেন্দ্রীয় কৃষিবিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি সামসুজ্জোহা খান, নওগাঁ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি খাজা নাজিবুল্লাহ্ চৌধুরী, বুয়েট ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার কেএমএস মুসাব্বির (শাফি), ধামইরহাট পৌরসভার সাবেক প্রশাসক ও ধামইরহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি চপল চৌধুরী, ধামইরহাট উপজেলা বিএনপির নেতা ইসমাইল হোসেন, রুয়েট ছাত্রদলের সাবেক নেতা প্রকৌশলী কামরুজ্জামান মিলন এবং নওগাঁ জেলা মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ত সভানেত্রী সামিনা পারভীন পলি ।

এ আসনে বিএনপি নেতা সামসুজ্জোহা খান তিনবার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি নির্বাচনি এলাকায় বর্তমানে সুধী সমাবেশ, পথসভা, সংবর্ধনা অনুষ্ঠান, কর্মী সমাবেশ ও বিভিন্ন কমিটি গঠনের মাধ্যম নিজের অবস্থানকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

সামসুজ্জোহা বলেন, বিএনপি বড় একটি রাজনৈতিক দল। এ দলে একাধিক নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশা করবেন এটাই স্বাভাবিক। দল যাকেই মনোনয়ন দেবে তার পক্ষে আমরা ধানের শীষ প্রতীককে জয়যুক্ত করতে কাজ করে যাব। দল আবারও আমাকে মনোনয়ন দেবে বলে শতভাগ আশাবাদী।

নওগাঁ-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী প্রকৌশলী এনামুল হক জেলা শাখার নায়েবে আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য। ধামইরহাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পরপর দুবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন জামায়াতে ইসলামীর মঈন উদ্দিন। জামায়াত এ কারণে এ আসনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। এনামুল হক বলেন, ধামইরহাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমাদের দলীয় প্রার্থী পরপর দুবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় সংগত কারণে এ আসনে আমাদের সাংগঠনিক কাঠামো অনেক মজবুত বলে আরা মনে করি। এ কারণে আমি মনে করি আমার জয়লাভ অনেকটা নিশ্চিত।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পত্নীতলা উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা দেলোয়ার হোসেন এ আসনে এমপি প্রার্থী হতে আগ্রহী।

নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী)

এ আসনে বিএনপির তিনজন, জামায়াতে ইসলামী এবং এনসিপির একক প্রার্থী মাঠে নেমেছেন। বিএনপির মনোনয়ন পেতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং বদলগাছী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফজলে হুদা আকন্দ বাবুল দীর্ঘদিন ধরে তৃনমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে আসছেন। নেতাকর্মীদের বিপৎআপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন। জেল-জুলুম সহ্য করেছেন।

অন্যদিকে মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রবিউল আলম বুলেট এবং সাবেক ডেপুটি স্পিকার আখতার হামিদ সিদ্দিকী নান্নুর পুত্র পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনিও দলীয় মনোনয়ন পেতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তারাও বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মাওলানা মাহফুজুর রহমান এই আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী। তিনিও বিভিন্ন ওয়ার্ডে কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। বিএনপির সাবেক নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা অলি আহমেদ রুমী চৌধুরী এনসিপি থেকে নির্বাচন করতে চান।

নওগাঁ-৪ (মান্দা)

এ আসনে মাঠে সরব রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক এবং সদ্য নির্বাচিত উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মতিন, মান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোকলেছুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মান্দা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. ইকরামুল বারী টিপু, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বাবুল চৌধুরী।

এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দলের জেলা আমির খন্দকার মুহাম্মদ আব্দুর রাকিব। এ আসনে ১৯৯১ সালে জামায়াতে ইসলামীর নেতা নাসির উদ্দিন জিহাদী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। সে সময় তিনি বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শক্তিশালী প্রার্থীর সঙ্গে ত্রিমুখী লড়াই করে নির্বাচিত হন। আসনটিতে এবারও জামায়াতে ইসলামী বেশ সরব। খন্দকার আব্দুর রাকিব বলেন, আমরা আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছি। আমাদের তৃণমূল পর্যায়ে মজবুত সাংগঠনিক অবস্থান রয়েছে। জামায়াতে ইসলামী বিশেষ করে নওগাঁ-২ ও ৪ আসনকে টার্গেট করলেও সবকটি আসনে কাজ করছে।

নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর)

এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেতে চেষ্টা করছেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নজমুল হক সনি এবং জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ২০১৮ সালের এমপি প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ধলু। বিএনপির টিকিট পেতে আরো সরব রয়েছেন জেলা শাখার আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু, সদস্য সচিব বায়েজিদ হোসেন পলাশ, যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রহমান রিপন এবং জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান তুহিন।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সম্ভাব্য প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু বলেন, জেলার ছয়টি আসনই ফিরে পেতে আমাদের নেতাকর্মীরা তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বায়েজিদ হোসেন বলেন, আমরা দীর্ঘদিন থেকে দল গোছানোর কাজ অব্যাহত রেখেছি। ফ্যাসিবাদী সরকারের মামলা-হামলায় আমাদের নেতাকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কিন্তু আমরা দমে যাইনি। আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি জেলার ছয়টি আসনই ফিরে পাবে বলে আমি আশাবাদী।

এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী জেলা সেক্রেটারি অ্যাডভোটেক আ স ম সায়েম। তিনি বলেন, নির্বাচনের জন্য জনগণের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছি। আমার বিশ্বাস, ভোটাররা জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা মার্কাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে।

নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর)

এ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নের জন্য চেষ্টা করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন বুলু, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও আত্রাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ রোজাউল ইসলাম রেজু, রাণীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইছাহাক আলী এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম বেলাল। এ ছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আলমগীর কবিরও এ আসন থেকে বিএনপির টিকিট পেতে তৎপর রয়েছেন।

আসনটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আত্রাই উপজেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ খবিরুল ইসলাম। এখানে ইসলামী আন্দোলনের দুইজন মনোনয়নপ্রত্যাশী।

এদিকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা নির্বাচনের মাঠে থাকলেও তাদের মধ্যে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় ভোটারদের অনেকে জানান, জামায়াতের একক প্রার্থী নির্বাচনের মাঠ দখলের চেষ্টায় রয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে অধিকাংশ সময় এ আসনটি বিএনপির দখলে ছিল। এ আসনে বিএনপি নেতা সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আলমগীর কবির ১৯৯১ সাল থেকে পরপর চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী নির্বাচনে বিএনপি এ আসনটি পুনরুদ্ধার করতে পারবে কি না তা নির্ভর করবে নওগাঁ জেলা বিএনপির ঐক্যের ওপর।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, বিএনপির সব আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে থেকে দলকে সংগঠিত করেছি। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দলের জন্য কাজ করে গেছি। দলের দীর্ঘদিনের কর্মী হিসেবে দলের কাছে মনোনয়ন চাইব।’

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন