চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা ও এর আশপাশের নদীগুলোর পানি কমলেও এখনো পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি ২৫ সেন্টিমিটার কমে সোমবার বিপৎসীমার ১০৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পানি নামার গতি ধীর হওয়ায় এখনো সদর উপজেলার আলাতুলী ও নারায়ণপুর ইউনিয়ন এবং শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা, উজিরপুর, দুর্লভপুর ও মনাকষা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত রয়েছে। ফলে এসব এলাকার মানুষ এখনো চরম দুর্ভোগে রয়েছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা নদীর পানি ২৫ সেন্টিমিটার কমে সোমবার বিপৎসীমার ১০৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
টানা বৃষ্টি ও ভারতীয় উজানের দলে পদ্মায় পানি বাড়ায় সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে প্রায় ১২ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে এবং দুই হাজার হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়। এদিকে দীর্ঘদিন পানিবন্দি থাকায় ছড়িয়ে পড়েছে ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড, আমাশয়, চুলকানি ঘা এবং হেপাটাইটিস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পেলে এ রোগগুলো মহামারির আকার ধারণ করতে পারে।
এছাড়া সময় মতো ত্রাণ সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। সে অঞ্চলে এখনো বন্ধ রয়েছে অর্ধ শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর মাঝে ২৮ মে, টন চাল, ৫ পরিবারকে নগদ টাকা ও ঢেউ টিন এবং ২৫০ পরিবারকে শুকনো খাবার দেয়া হয়েছে। আগামীতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর তালিকা করে সহায়তা দেয়া হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

