ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা শেষ হলেও নীলফামারী-৪ আসন-এর বিভিন্ন এলাকায় এখনো সরানো হয়নি প্রার্থীদের পোস্টার, ফেস্টুন ও ব্যানার। ভোটের কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও বিদ্যুতের খুঁটি, দেয়াল এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে ঝুলতে দেখা যাচ্ছে নির্বাচনি প্রচারণার সামগ্রী।
বুধবার আসনটির বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, নির্বাচনি কার্যক্রম শেষ হলেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (জামায়াত) ও জাতীয় পার্টি-এর প্রচারের চিহ্ন এখনো দৃশ্যমান। কোথাও বড় আকারের ব্যানার, কোথাও আবার ছেঁড়া পোস্টার ঝুলছে অবহেলিত অবস্থায়।
নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রার্থীদের নিজ দায়িত্বে সকল পোস্টার-ব্যানার অপসারণ করার কথা। তবে বাস্তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা মানা হচ্ছে না। ফলে নির্বাচনি পরিবেশ শেষ হলেও প্রচারসামগ্রী রয়ে গেছে সর্বত্র।
গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে এ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে শপথ গ্রহণ করেছেন।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাযহারুল ইসলাম বলেন, “ইতোমধ্যে কিছু প্রচারসামগ্রী সরানো হয়েছে। বাকি অংশ রাতের মধ্যেই অপসারণ করা হবে।”
অন্যদিকে, সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি ও ধানের শীষের প্রার্থী আব্দুল গফুর সরকার বলেন, “আমার নির্বাচনি প্রচারসামগ্রী সরানোর কাজ চলছে। যেগুলো এখনো রয়ে গেছে, সেগুলো দ্রুত অপসারণ করা হবে।”
সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা জানান, নির্ধারিত সময়সীমা পর্যন্ত প্রার্থীদের নিজ দায়িত্বে প্রচারসামগ্রী সরানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এরপরও যদি অপসারণ না করা হয়, তাহলে প্রশাসন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে নিজ উদ্যোগে এসব ব্যানার-পোস্টার সরিয়ে ফেলবে।
এ অবস্থায় সচেতন মহল মনে করছে, পরিবেশ ও নগর সৌন্দর্য রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

