‘আমরা বাংলাদেশে কোনো সন্ত্রাসের রাজনীতি দেখতে চাই না। আপনারা গণতন্ত্রে যাবেন, নাকি সন্ত্রাসের পথে যাবেন?
কুড়িগ্রামের মানুষ পার্টিকুলারলি এত হিংস্র না, এরা কারা, এত হিংস্রতা কোথা থেকে নিয়ে আসতেছে? আমরা বাংলাদেশে এই সন্ত্রাসীদের বিচার করেই ছাড়ব।’
এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ও কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ গতকাল রাত ১০টায় কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ফুলবাড়ীতে বিএনপির নেতাকর্মীদের হামলায় আহত এনসিপি, যুবশক্তি ও ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ‘সন্ত্রাসীর সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক আপস হয় না। মেহনতি মানুষের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে যদি আমাদের মেরে ফেলতে হয়, মেরে ফেলেন। তবু আমরা বাংলাদেশে আর সন্ত্রাসী দেখতে চাই না।’
তিনি বলেন, ‘জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশের মানুষ আর রক্ত দেখতে চায় না, যদি অশান্ত ও সন্ত্রাসবাদী রাজনীতি করেন, বাংলাদেশের মানুষ তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে। বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীন, আজাদ, রাজনৈতিকভাবে কারো দাস না। এই দাসত্বের বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর অবস্থান।’
এ সময় কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের ১১ দলের পক্ষ থেকে আরো উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি আজিজুর রহমান স্বপন। তিনি এনসিপি ও অঙ্গসংগঠনের আহত নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘যারা জুলাইযোদ্ধা এবং বাংলাদেশ গঠনের অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে, তাদেরই একটি সংগঠন এনসিপি। ফুলবাড়ীতে তাদের ওপর নারকীয় তাণ্ডব চালানো হয়েছে, আমরা এটাকে প্রচণ্ডভাবে ঘৃণা করি। সরকারকে এ ব্যাপারে কঠোর ও কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় এ দেশের মানুষ সংঘবদ্ধভাবে মাঠে নামবে।’
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মুকুল মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক ও মিডিয়া সেল প্রধান রাশেদুজ্জামান তাওহীদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান সরকার, নারী শক্তির আহ্বায়ক নাসিরা খন্দকার নিসা, যুবশক্তির আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান মাসুদ, সদস্য সচিব তারিকুজ্জামান তমাল ছাত্রশক্তির জেলা মুখপাত্র খন্দকার আল ইমরান, জেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রটারী মাওলানা নিজাম উদ্দীনসহ ১১ দলীয় জোটের শতাধিক নেতৃবৃন্দ।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

