খাদ্য সংকটে মাঝেমধ্যেই লোকালয়ে আসে বন্যপ্রাণীরা। আর বন ছাড়তেই ধরা পড়ে মানুষের হাতে। আবার কোনো কোনো প্রাণী গাড়িচাপায় হারায় প্রাণ। তবে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে গত এক বছরে উদ্ধার হয়েছে ২২২টি প্রাণী। এমনই তথ্য মিলেছে বন বিভাগের শ্রীমঙ্গল রেঞ্জ কার্যালয় থেকে।
বন বিভাগ জানায়, উদ্ধার হওয়া প্রাণীর মধ্যে রয়েছে বানর, লজ্জাবতী বানর, মেছো বিড়াল, চিতা বিড়াল, বনবিড়াল, প্যাঁচা, মদনটাক, মুনিয়া পাখি, শকুন, অজগর, তক্ষক, শঙ্খিনী সাপ, গন্ধগোকুল, রেড আইক্যাট স্নেক, ধূসর ফণীমনসা ইত্যাদি। এর মধ্যে ১০৪টি মৃত উদ্ধার করা হয়েছে।
বন বিভাগের সঙ্গে বন্যপ্রাণী উদ্ধারে বড় ভূমিকা রেখেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। ১৯৬৫ সালে নিজ উদ্যোগে সদর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে আশ্রয়কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠা করেন শ্রীমঙ্গল উপজেলার পশুপ্রেমিক শ্রীচন্দ্র দেব। বর্তমানে তার এখানে অর্ধশতাধিক বিপন্ন ও বিরল প্রজাতির প্রাণী রয়েছে।
ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল বলেন, লোকালয়ে আসা বন্যপ্রাণীদের খবর আমাদের জানান সাধারণ মানুষ। পরে আমরা সেসব উদ্ধার করে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করি।
এ বিষয়ে মৌলভীবাজার বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) জামিল মোহাম্মদ খান বলেন, মৃত প্রাণীদের মাটি চাপা দেয়া হয়েছে। এছাড়া লোকালয়ে ধরা পড়া বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীকে সুস্থ করে ফের বনে অবমুক্ত করা হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

