বাংলাদেশে বিনিয়োগ জটিলতা দূর করার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং সিক বলেছেন, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে ভিসা প্রদান ও নবায়ন প্রক্রিয়া সহজীকরণ, কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়া দ্রুতকরণ, বিডা প্রদত্ত সেবা প্রদান প্রক্রিয়া বেগবান করা, করপোরেট করহার সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং লজিস্টিক খরচ হ্রাস করা অতীব জরুরি।
সোমবার ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকিন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।
পার্ক ইয়ং সিক বলেন, বিপুল মানসম্পদ, ভৌগোলিক অবস্থান, বৃহৎ ভোক্তা বাজার প্রভৃতির ফলে বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। এছাড়াও ইলেকট্রনিক্স পণ্য, মোবাইল, অটোমোবাইল, তথ্যপ্রযুক্তি প্রভৃতি খাতে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের প্রচুর সুযোগ রয়েছে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রদূত জানান, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষে বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা কেন্দ্রসমূহের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদানসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি প্রদানের মাধ্যমে কোরিয়া সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিশেষ করে শিল্পখাতের সক্ষমতা বাড়ানো ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য অধিক হারে জোরারোপ করা প্রয়োজন এবং এ লক্ষে দুদেশের যৌথ বিনিয়োগ স্থানীয় উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এসময় ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেছেন, তরুণ ফ্রিল্যান্সাররা সম্প্রতি সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে ডিজাইন তৈরিতে বেশ ভাল করছে, এ খাতের প্রযুক্তিগত উন্নয়নে দক্ষিণ কোরিয়া সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন।
সাক্ষাৎকালে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, তৈরি পোষাক, জাহাজ নির্মাণ, এপিআই, অটোমোবাইল, ইলেকট্রনিক্স, সেমিকন্ডাক্টর, তথ্যপ্রযুক্তি প্রভৃতি খাতে আরও বেশি হারে বিনিয়োগের আহ্বান জানান ডিসিসিআই সভাপতি। বাংলাদেশ হতে আরও বেশি হারে দক্ষ মানবসম্পদ নেওয়ার জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ঢাকা চেম্বারের সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মানসহ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

