বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশকে ৩০ হাজার টন পটাশ সার উপহার দিয়েছে রাশিয়া ফেডারেশন। সোমবার রাজধানীর খামারবাড়ির বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে এ উপহার হস্তান্তর করেছে দেশটি।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়া ফেডারেশনের রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার জি খোজিন।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ার সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের ভারপ্রাপ্ত উপ-কান্ট্রি ডিরেক্টর ডেভিড ধমাস ও রাশিয়া উরালকেমের গ্লোবাল হেড অব সেলস দিমিত্রি বোলদিরেভ।
রাশিয়ার শীর্ষস্থানীয় সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান উরালকেম বাংলাদেশকে এই সার দিচ্ছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
এ সময় কৃষি উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সার সরবরাহ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব অস্থিতিশীল আন্তর্জাতিক বাজার এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন সংকট কৃষি খাতে অনুভূত হচ্ছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও অংশীদারত্ব আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আজকের এই উদ্যোগ গঠনমূলক বৈশ্বিক সহযোগিতার একটি উত্তম উদাহরণ।
তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) কাছে ইউরিয়া ছাড়া অন্যান্য সারের মজুত রয়েছে মোট ১০ লাখ ৩৫ হাজার টন, যা ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে কৃষি খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। বিগত তিন বছরের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ধান উৎপাদন বেড়েছে ছয় শতাংশ, আলু উৎপাদন ১৪ শতাংশ, পেঁয়াজ উৎপাদন ২২ শতাংশ, সবজি উৎপাদন তিন দশমিক ৭০ শতাংশ এবং সরিষা উৎপাদন ৮৬ শতাংশ বেড়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


সারের কৃত্রিম সংকট