বাজেটে ইতিবাচক দিক থাকলেও আরও নীতিগত সহায়তা চায় বিটিএমএ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

বাজেটে ইতিবাচক দিক থাকলেও আরও নীতিগত সহায়তা চায় বিটিএমএ

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান, রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ব্যবসা সহজীকরণে গুরুত্ব দেওয়াকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। সংগঠনটি বলেছে, স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষা, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, শুল্ক কাঠামোর পুনর্বিন্যাস এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে উৎসাহমূলক পদক্ষেপ প্রাইমারি টেক্সটাইল খাতের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।

বিজ্ঞাপন

বিটিএমএর মতে, বাজেটে তাদের বেশ কয়েকটি প্রস্তাব আংশিকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রপ্তানি নগদ সহায়তার ওপর অগ্রিম আয়কর ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা, রিসাইকেলড পণ্য ও কাঁচামালের করহার কমানো, তুলা সরবরাহে উৎসে কর হ্রাস, সৌরবিদ্যুৎ খাতের বিভিন্ন উপকরণ আমদানিতে শুল্ক-কর অব্যাহতি এবং বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) পরিচালনায় ব্যবহৃত রাসায়নিক আমদানিতে সুবিধা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত। এছাড়া মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল স্থাপনে আইনি বিধান সংযোজন এবং বন্ধ মিল পুনরায় চালুর উদ্যোগকেও ইতিবাচক হিসেবে দেখছে সংগঠনটি।

তবে ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ মূল্য সংযোজনের বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহারের প্রস্তাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিটিএমএ। তাদের আশঙ্কা, এতে অপব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে এবং দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

সংগঠনটি জানিয়েছে, উচ্চ জ্বালানি ব্যয়, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের অনিশ্চয়তা, ঋণের উচ্চ সুদহার, কাঁচামালের মূল্য অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার চাপের কারণে খাতটি বর্তমানে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে করপোরেট কর ১৫ শতাংশ নির্ধারণ, করনীতিতে স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতিগত সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে বিটিএমএ।

এআরবি

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন