কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলায় একটি বাড়ীতে ডাকাতির সময় একজন নারী ও তার কিশোরী কন্যার ওপর সংঘবদ্ধ যৌন সহিংসতার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো আসকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সহিংসতার শিকার নারীর স্বামী চট্টগ্রাম নগরে চাকরি করেন। ১৫ আর ৭ বছরের দুই মেয়েকে নিয়ে গৃহবধূ নিজ বাড়িতে থাকেন। সোমবার দিবাগত রাতে ১০ সদস্যের ডাকাত দল তার ঘরে হানা দেয়। ঘরের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ডাকাত দলের সদস্যরা। এরপর ঘরের আলমারি থেকে স্বর্ণ, নগদ টাকা লুট করে গৃহবধূ ও তার কিশোরী মেয়েকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়।
এ ধরনের বর্বর ও অমানবিক ঘটনা কেবল একটি ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়; বরং এটি রাষ্ট্রীয়ভাবে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) মনে করে, নারীর প্রতি যৌন সহিংসতা ও দলবদ্ধ ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এমন ঘটনা নাগরিকদের নিরাপত্তাবোধকে গভীরভাবে আঘাত করে এবং সমাজে ভীতি ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি করে। ধারাবাহিকভাবে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও অনেক ক্ষেত্রেই অপরাধ প্রতিরোধ, দ্রুত তদন্ত এবং কার্যকর জবাবদিহির ঘাটতি রয়ে যাচ্ছে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) জোরালোভাবে দাবি জানাচ্ছে, এ ঘটনায় জড়িত সকল অপরাধীকে দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে হবে এবং প্রচলিত আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী মা ও কিশোরীর জন্য জরুরি চিকিৎসা, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, আইনি সহায়তা এবং সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

