বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-টরেন্টো রুটের একটি ফ্লাইটে হাম আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পেয়েছে টরন্টো কর্তৃপক্ষ। কানাডার অন্টারিও প্রদেশের পিল রিজিয়নের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ টরন্টোর পিয়ারসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও দুটি ফ্লাইটে হাম (মিজলস) রোগের সম্ভাব্য সংক্রমণ ঝুঁকি সম্পর্কে জনসাধারণকে সতর্ক করেছে। এই সতর্কতা একটি নিশ্চিত হাম আক্রান্ত রোগীর সঙ্গে সম্পর্কিত বলে হেলথ এলার্ড জারি করেছে সংস্থাটি।
পিল পাবলিক হেলথ গত শুক্রবার জারি করা এক সতর্কবার্তায় জানায়, নিম্নলিখিত ফ্লাইট ও স্থানে জনসাধারণ ভাইরাসের সংস্পর্শে আসতে পারেন:
গত ৭ জুলাই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ফ্লাইট বিজি ৩০৫ (রোম হয়ে) বাংলাদেশ থেকে টরন্টোগামী এয়ার কানাডা ফ্লাইট এসি ১৯৮৬ টরন্টো থেকে মঙ্কটনগামী। পিয়ারসন বিমানবন্দরের টার্মিনাল ১, ৭ জুলাই দুপুর ১টা ১১ মিনিট থেকে রাত ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত টরেন্টো স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, যারা মনে করছেন তারা ভাইরাসের সংস্পর্শে এসেছেন, তাদের নিজেদের টিকাদান রেকর্ড যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী এবং এক বছরের কম বয়সি শিশুর অভিভাবকদের মতো উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের প্রতিরোধমূলক চিকিৎসার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে স্থানীয় জনস্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, উপসর্গ দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসক বা জনস্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
হাম একটি উচ্চ মাত্রায় সংক্রামক ব্যাধি, যা টিকা না নেওয়া বা আগে কখনও এই রোগে আক্রান্ত না হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে। স্বাস্থ্য সংস্থাটির তথ্যমতে, সংক্রমণের ৭ থেকে ২১ দিনের মধ্যে উপসর্গ দেখা দিতে শুরু করে।
এসব উপসর্গের মধ্যে রয়েছে তীব্র জ্বর, কাশি, সর্দি, চোখ লাল ও পানি পড়া, আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা এবং মুখমণ্ডল থেকে শুরু হয়ে শরীরের নিচের দিকে ছড়িয়ে পড়া লালচে র্যাশ।
এ বিষয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ আমার দেশকে বলেন, এ বিষয়ে আমরা এখনো কোনো তথ্য জানি না।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

