পর্যটন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিল্প এবং জিডিপিতে এই খাতের অবদানকে ৭-৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, দেশের কালচারাল ট্যুরিজমকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করা হবে।
সোমবার সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের সঙ্গে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন’ শীর্ষক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মন্ত্রী বলেন, আজকের সভায় প্রাথমিকভাবে একসঙ্গে কাজ করার লক্ষ্যে দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত হয়েছে। স্বাক্ষরের পরে অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু হবে। দেশের কালচারাল ট্যুরিজমকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য ‘জয়েন্ট টাস্কফোর্স ফর কালচারাল ট্যুরিজম’ গঠন করা হবে।
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম দেশের বিমানবন্দরে বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের জন্য নজরুল বর্ষের প্রচারণার প্রস্তাব করলে পর্যটন মন্ত্রী বলেন, ‘নজরুল বর্ষ উপলক্ষে প্রয়োজনীয় প্রচারণার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।’
সভাপতির বক্তব্যে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, আমাদের দেশীয় ঐতিহ্য হাজার বছরের পুরনো। এই ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতে চায় বর্তমান সরকার। আমাদের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে পর্যটন থিমকে লক্ষ্য রেখে উন্নয়ন করা হবে। আমাদের ৫৫৪টি প্রত্নতাত্ত্বিক প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলোতে পর্যায়ক্রমে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পরিদর্শন করবেন। এরপর উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
সভায় অন্যদের মধ্যে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, এনডিসিসহ উভয় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


