ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী

সেতু বিভাগ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো: রাজিব আহসান গত মঙ্গলবার আবদুল্লাহপুর ইন্টারসেকশন এলাকায় এট-গ্রেড রাস্তায় চলমান রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণ কাজের সার্বিক অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। এ সময় সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

বিআরটি প্রকল্পের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে উত্তীর্ণ হওয়ায় এবং প্রস্তাবিত আরডিপিপি একনেক কর্তৃক অনুমোদিত না হওয়ায় এবং ঠিকাদার না থাকায় উক্ত ইন্টারসেকশনের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। জনদুর্ভোগ লাঘবের স্বার্থে উক্ত প্রকল্পের এ্যাটগ্রেডের আব্দুল্লাহপুর ইন্টারসেকশন ও টঙ্গী ইউ-টার্ন অংশের রিজিড পেভমেন্ট কাজটি প্রকল্প থেকে পৃথক করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নিজস্ব বাজেটে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। নির্বাচিত ঠিকাদারের সাথে ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে চুক্তি স্বাক্ষর এবং ০১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। রিজিড পেভমেন্ট (Pavement Quality Concrete-PQC) কাজ ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ হতে শুরু হয়েছে।

পরিদর্শনকালে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আবদুল্লাহপুর ইন্টারসেকশন এলাকায় উক্ত কাজের আওতায় সদ্য নির্মিত ৪৫০ মিটার রিজিড পেভমেন্ট রাস্তার কাজের সার্বিক অগ্রগতি ও মান দেখে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। পাশাপাশি, রাস্তার স্থায়িত্ব নিশ্চিতকরণের জন্য কাজের গুণগত মান শতভাগ ঠিক রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন।

রিজিড পেভমেন্ট পরিদর্শন শেষে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প-এর চলমান নির্মাণ কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি প্রকল্প এলাকার বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখেন এবং কাজের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

ঢাকা আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প পরিদর্শনকালে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কাজের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি জনদুর্ভোগ কমানোর ওপর বিশেষ জোর দিয়ে বলেন, "প্রকল্পের কাজ চলাকালীন সময়ে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যেন কোনো ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে না হয়, সেজন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কাজ করার সময় নিরাপত্তার খাতিরে যদি রাস্তার একপাশ বন্ধ রাখতে হয়, তবে সাথে সাথেই অন্যপাশ যান চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত ও উপযোগী রাখতে হবে।" তিনি আরও বলেন, নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না। গুণগত মানসম্পন্ন নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের বাকি কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে পরামর্শ দেন।

এ সময় সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। মাননীয় মন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রকল্পের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সকল প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করতে আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। জনসাধারণের যাতায়াত সহজ করতে এবং কাজের গতি বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিবিড়ভাবে কাজ করছে।"

উক্ত পরিদর্শন কার্যক্রমে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্মসচিব জনাব মো: শফিকুল ইসলাম এবং জিটুজি ভিত্তিতে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান CMC-এর প্রতিনিধি জনাব জেসুয়া মা-সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন