প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অগ্নিকাণ্ড: একজনের দায় স্বীকার

স্টাফ রিপোর্টার

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অগ্নিকাণ্ড: একজনের দায় স্বীকার
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের স্টোর রুমে অগ্নিকাণ্ডসহ ল্যাপটপ ও বিভিন্ন মালামাল চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রতিষ্ঠানটির পরিচ্ছন্ন কর্মী আসমাউল ইসলাম আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার অধিদপ্তরের তিন কর্মকর্তাকে ৪ দিন করে রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। রিমান্ডপ্রাপ্তরা হলেন গবেষণা কর্মকর্তা ও স্টোর ইনচার্জ জিয়াদ আলী বিশ্বাস, স্টোর কিপার (মাস্টার রোল) হুমায়ুন কবির খান এবং ডাটা এন্ট্রি অপারেটর শহিদ হোসাইন।

রোববার (৩ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালত এ আদেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

এর আগে তাদের সিএমএম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় প্রতিষ্ঠানটির পরিচ্ছন্ন কর্মী আসমাউল ইসলাম স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দেয়ার কথা জানালে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা। আবেদনের প্রেক্ষিতে তার জবানবন্দি রেকর্ড করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গবেষণা কর্মকর্তা ও স্টোর ইনচার্জ জিয়াদ আলী বিশ্বাস, স্টোর কিপার (মাস্টার রোল) হুমায়ুন কবির খান এবং ডাটা এন্ট্রি অপারেটর শহিদ হোসাইনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত তাদের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে রিমান্ডে নেয়ার ওই আদেশ দেন আদালত।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ১ মে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মিরপুর-২ এর নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় স্টোর রুমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায়, ওই দিন অজ্ঞাত পাঁচ ব্যক্তি কৌশলে তালা ভেঙে স্টোর রুমে প্রবেশ করে। তদন্তে উঠে আসে, স্টোরে থাকা ৭৩৫টি ল্যাপটপের মধ্যে ৪৫০টি ভালো অবস্থায়, ৩৩টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত, ২৯টি অধিক ক্ষতিগ্রস্ত এবং ১৪০টি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এছাড়া ৮৩টি ল্যাপটপ এখনো নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন।

এমপি

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন