আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসালম বলেছেন, ট্রাইব্যুনাল বা প্রসিকিউশনের ইমেইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার পক্ষে কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে চিঠি আসেনি। হোয়াটঅ্যাপে সাংবাদিকদের মাধ্যমে এমন একটি চিঠির কপি পেয়েছি। তবে এটি ভুয়া প্রতিষ্ঠান থেকে পাঠানো হয়েছে বলে মনে হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সেই কপি পড়ে দেখলাম উপরে এড্রেস আছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইবুনাল। নিচে লেখা আছে ডিয়ার আইসিটি। আর এরপরে প্রথম প্যারাতে লিখেছে উই অ্যাক্ট অন বিহাফ অফ শেখ হাসিনা। এটুকু পড়লেই বোঝা যায় কত ইম্যাচিউরড একটা লেটার। কিভাবে কাকে এড্রেস করতে তাও জানে না। ডিয়ার আইসিটি বলে আইসিটি ট্রাইবুনালের কোনো বিচারককে যদি এড্রেস করতে হয় তাহলে কি ডিয়ার আইসিটি বলবে, নাকি অনারেবল জজ বলবে। এটা যদি ব্রিটিশ ল’ফার্মের পক্ষ থেকে হয় তাহলে ব্রিটিশ ল’ফার্ম তো এইটুকু কার্টেসি তারা জানে। কিন্তু এটা তো মনে হচ্ছে একেবারেই একটা ভুয়া চিঠি। কেরানীগঞ্জ বা জিঞ্জিরা ল’ফার্ম থেকে থেকে দেওয়া হতে পারে।
চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল বলেন, যদি অফিসিয়ালি কোনো চিঠি আসতো তাহলে আমরা হয়ত দেখতে পারতাম, যাচাই-বাছাই করতে পারতাম। এরকম উড়ো চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইবুনালের কার্যক্রম বিতর্কিত হবে না। কোনো কার্যক্রম বন্ধও হবে না। শেখ হাসিনা সম্পর্কে চিঠিতে যা বলেছে, কোনো ল’ফার্ম আইনগতভাবে এসব বলার অধিকার নাই। কারণ শেখ হাসিনা পলাতক। কোনো পলাতক আসামির পক্ষে কোনো ল’ফার্ম কথা বলার সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, যদি অফিসিয়ালি আমাদের কাছে চিঠি আসে তাহলে আমরা মনে করি এই চিঠির যা ভাষা, এই চিঠির বক্তব্য একেবারে কন্টেম্পচুয়াস বা আদালত অবমাননার শামিল। যদি এই জাতীয় ফার্ম থেকে অফিসিয়ালি আমাদের কাছে চিঠি আসে, তাহলে ওই ফার্মের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

