৪৫তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে ৩৮৩ জনের নিয়োগ, প্রজ্ঞাপন জারি

৪৫তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে ৩৮৩ জনের নিয়োগ, প্রজ্ঞাপন জারি
ছবি: সংগৃহীত

৪৫তম বিসিএস থেকে ৩৮৩ জনকে শিক্ষা ক্যাডারের নবম গ্রেডে প্রভাষক পদে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে চাকরিতে যোগদানের সময় ও ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচির সময়সূচিও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর সশরীরে উপস্থিত হয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর যোগদান করতে হবে। এছাড়া বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে (আরডিএ) ১ থেকে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত আট দিনব্যাপী আবাসিক ওরিয়েন্টেশন কার্যক্রমে অংশ নিতে হবে।

বিজ্ঞাপন

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত ১৪ অক্টোবর জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনের আলোকে ৩৮৩ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের প্রবেশ পদে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ (বা চলতি প্রবিধান) অনুযায়ী ৪৪,০০০-১০৫৯০০ টাকা বেতনক্রমে কিছু শর্ত সাপেক্ষে এ নিয়োগ দেওয়া হলো।

নিয়োগের উল্লেখযোগ্য শর্তসমূহ

*প্রার্থীকে বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) অথবা সরকার নির্ধারিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে।

*বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সরকার নির্ধারিত পেশাগত ও বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

*যোগদানের পর দুই বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে সরকার এ শিক্ষানবিশকাল অনূর্ধ্ব দুই বছর বাড়াতে পারবে। শিক্ষানবিশকালে চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী বিবেচিত হলে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ ছাড়া চাকরি থেকে অপসারণ করা যাবে।

*প্রশিক্ষণ সফলভাবে সমাপ্তি, বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনকভাবে অতিক্রান্ত হলে চাকরি স্থায়ী করা হবে।

*প্রশিক্ষণে যাওয়ার আগে কর্মস্থল থেকে অব্যাহতি প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের কাছে একটি অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। একজন জামানতদারসহ ৩০০ টাকার নন- judiciales স্ট্যাম্পে বন্ড সম্পাদন করতে হবে যে, শিক্ষানবিশকালে বা শিক্ষানবিশকাল উত্তীর্ণ হওয়ার তিন বছরের মধ্যে চাকরি থেকে ইস্তফা দিলে প্রশিক্ষণকালে প্রাপ্ত সব বেতন-ভাতা, অগ্রিম ও প্রশিক্ষণের জন্য সরকারের ব্যয়িত সমুদয় অর্থ ফেরত দিতে হবে।

*নির্ধারিত তারিখে চাকরিতে যোগদান না করলে প্রার্থী চাকরিতে যোগদানে সম্মত নন বলে ধরে নেওয়া হবে এবং এ নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, আগামী ১ নভেম্বর পূর্বাহ্নে আবশ্যিকভাবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব বরাবর সশরীরে (যোগদানের স্থান: পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়া) উপস্থিত হয়ে প্রভাষক পদে যোগদানপত্র জমা দিতে হবে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন