আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষাখাতে জিডিপির দুই শতাংশ বরাদ্দ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন। যা টাকার অংকে ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এর আগের বাজেটে শিক্ষায় বরাদ্দ ছিল জিডিপির ১ দশমিক ৬৯ শতাংশ। তাতেও শুভঙ্করের ফাঁকি ছিল। রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র, আইসিটি সব মিলিয়েই এই বরাদ্দ করেছিল। এবার সম্পূর্ণ শিক্ষা তথা প্রাথমিক, মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও উচ্চ শিক্ষায় জিডিপির দুই শতাংশ বরাদ্দ হচ্ছে। যা বাংলাদেশে এবারই প্রথম।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন পর্যায়ক্রমে শিক্ষায় বরাদ্দ ৫ শতাংশ বাড়াবেন, সেই জায়গায় আমরা এ বছর আমরা ২ শতাংশ পর্যন্ত পেয়েছি। আমরা চেয়েছিলাম ৩ দশমিক ৫ শতাংশ।
তিনি বলেছেন আস্তে আস্তে, আপনারা প্রজেক্ট তৈরি করুন এবং সে জায়গায় তিনি সবচেয়ে বেশি অগ্রণী ভূমিকা দিচ্ছেন শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষার মান উন্নয়ন, কারিগরি শিক্ষাকে কীভাবে আমরা দক্ষ মানব শক্তি তৈরি করব সে ব্যাপারে তিনি আলাদাভাবে প্রজেক্টগুলো জানতে চেয়েছেন। কি কি জায়গায় আমরা এই টাকাগুলো ইনভেস্ট করব, সেটা বিস্তারিত তিনি খোঁজখবর নিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার বিষয় সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রথমত ২০ তারিখে বাচ্চাদের গোল্ড কাপের সমাপনী খেলা হবে আর্মি ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে, সেখানে তাকেপ্রধান অতিথি হিসেবে এবং তার ফ্যামিলিকেও থাকার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি। এ মাসের সাত তারিখে দক্ষতা উন্নয়নের জন্য কারিগরি কম্পিউটারের প্রশিক্ষণের একটি অনুষ্ঠান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে হবে, সেটাতেও তাকে প্রধান অতিথি হিসেবে চেয়েছি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি যে, আমরা একটা থোক বরাদ্দ পেয়েছি এবং আমাদের কাছে যে অর্থ সংকলন রয়েছে সেটা দিয়ে আমরা এই অবসরভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা দেওয়া শুরু করবো।
এ ব্যাপারে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন যে, অতি শিগগিরই তাদের টাকার ব্যবস্থা করতে হবে, কারণ শিক্ষকরা অবহেলিত থাকবে এটা হতে পারে না।
শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন বই ছাপানোর ব্যাপারেও তিনি জানতে চেয়েছেন; আরো অনেক বিষয় রয়েছে। তবে আমরা দুই একদিনের মধ্যে একটি এ বিষয়ে প্রেস কনফারেন্স করে বিস্তারিত জানাবো।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

