এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এ বছর কমেছে জিপিএ-৫। গত বছর ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেলেও এবার পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন । আগেরবারের চেয়ে জিপিএ-৫ ধারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ০১৩ জন।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফল কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রথমবারের মতো একই প্রশ্নপত্রে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা হয়েছে। তাতে পরীক্ষার হলে কড়া হল গার্ড ও শিক্ষকদের খাতা মূল্যায়নে বারবার সতর্ক করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ও সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেকেই। তাতে ফলাফলে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংখ্যা আগের বারের চেয়ে কমেছে।
পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৬ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৫৮ হাজার ২৭৬ জন। ২০১৭ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩৭ হাজার ৭২৬, ২০১৮ সালে ২৯ হাজার ২৬২ এবং ২০১৯ সালে ৪১ হাজার ৮০৭ জন। ২০২০ সালে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ৬১ হাজার ৮০৭ জনে। ২০২১ সালে তা আরও বেড়ে হয় ১ লাখ ৮৯ হাজার ১৬৯ জন।
আর ২০২২ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ২৮২ জন। পরবর্তী সময়ে ২০২৩ সালে এ সংখ্যা কমে ৯২ হাজার ৫৯৫ জনে দাঁড়ায়। ২০২৪ সালে আবার বেড়ে হয় ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন। তবে ২০২৫ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী কমেছে ৭৬ হাজার ৮১৪ জন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


