চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ

চিকিৎসা-সংগ্রামের জ্যান্ত দলিল

জমির উদ্দিন

চিকিৎসা-সংগ্রামের জ্যান্ত দলিল

পাহাড় আর সমুদ্রের শহর চট্টগ্রামের বুকে দাঁড়িয়ে আছে একটি প্রতিষ্ঠান, যার দেয়ালে লেগে আছে হাজার রোগীর কান্না আর হাজার চিকিৎসকের ঘাম। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ। সংক্ষেপে চমেক। শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি এই অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা-সংগ্রামের জীবন্ত দলিল। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানটিতে বিদেশি ছাত্র-ছাত্রীরাও পড়ছেন।

১৯৫৭ সালের কথা। তখনো পাকিস্তান আমল। চট্টগ্রামের মানুষকে চিকিৎসার জন্য পাড়ি দিতে হতো ঢাকায়, কলকাতায়। পাহাড়ি পথ পেরিয়ে বন্দরনগরীর অলিগলি ঘুরে বহু মানুষ পৌঁছাতেই পারতেন না, পথেই শেষ হতো জীবন। এই বাস্তবতায় তৎকালীন সরকার পাঁচলাইশের সবুজ জমিতে স্থাপন করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ। শুরুটা ছিল অত্যন্ত ছোট। মাত্র কয়েকটি ভবন, গোটা পঞ্চাশেক শিক্ষার্থী আর আঙুলে গোনা কয়েকজন শিক্ষক। কিন্তু সেই ছোট বীজ থেকেই আজকের মহিরুহ।

বিজ্ঞাপন

১৯৭১ সালের মার্চ। দেশজুড়ে তখন উত্তাল ঢেউ। চমেকের ছাত্ররা শ্রেণিকক্ষ ছেড়ে নেমে পড়লেন রাস্তায়। ২৫ মার্চের কালরাতের পর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যখন চট্টগ্রামে আক্রমণ শুরু করল, তখন চমেকের হাসপাতাল হয়ে উঠল আহত মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়স্থল। চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আহতদের সেবা দিয়েছেন।

তৎকালীন ছাত্র ও পরবর্তীকালে বরেণ্য চিকিৎসক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গবেষক ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে চমেকের চার ছাত্র নিহত হন। আমরা তখন শেষ বর্ষের ছাত্র। আমি ছিলাম সরাসরি যুদ্ধে। আমাদের সহকর্মীরা হাতে ছুরি-কাঁচির বদলে ধরছিল ব্যান্ডেজ। অপারেশন থিয়েটারে বিদ্যুৎ ছিল না, মোমবাতির আলোয় অস্ত্রোপচার হয়েছে। ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় এই হাসপাতালের মেঝেতে রক্ত আর ওষুধের গন্ধ একসঙ্গে ছিল। আমরা ডাক্তারি শিখেছি বটে, কিন্তু মানুষ হওয়া শিখেছি এই যুদ্ধে।’

স্বাধীনতার পর, পুনর্গঠনের দিনগুলো

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ নিজেই ছিল বিপর্যস্ত। কিন্তু শিক্ষক ও চিকিৎসকরা মিলে দ্রুত প্রতিষ্ঠানটিকে আবার দাঁড় করান। ১২০ শয্যার ছোট হাসপাতাল থেকে শুরু করে আজ এটি ২ হাজার ২০০ শয্যার বিশাল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। পরবর্তীকালে এমআরআই, সিটি স্ক্যান ও ডিএনএ টেস্টিং চালু হয়েছে। ৩৫টি বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষা চলছে। ২০১৬ সালে ৬০তম বার্ষিকীতে সাতজন সাবেক শিক্ষার্থীকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়েছে তাদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ। কলেজের মিলনায়তনের নাম রাখা হয়েছে ‘শাহ আলম বীর উত্তম মিলনায়তন’, যা এক খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিকে ধারণ করে। এটিই চমেকের চেতনার প্রতীকÑএখানে শুধু ডাক্তার তৈরি হয় না, তৈরি হয় দেশপ্রেমিক মানুষ।

১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে চমেক নতুন করে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু চারদিকে শুধু অভাবÑওষুধ নেই, যন্ত্রপাতি নেই, পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই; অথচ রোগীর ঢল থামছে না। সেই দুর্যোগের মধ্যেও চমেকের চিকিৎসক ও শিক্ষকেরা হাল ছাড়েননি। পুরোনো মরিচা-ধরা সরঞ্জাম দিয়েই চলেছে চিকিৎসা, পুরোনো ভবনের ফাটল-ধরা দেয়ালেই হয়েছে ক্লাস।

ডা. মাহফুজুর রহমান, যাকে সবাই মাহফুজ ভাই বলে চিনতেন, তিনি বলেন, ‘গত শতকের ষাটের দশকে যে পদ্ধতিতে অ্যানাটমি পড়েছি, তা আজও প্রবীণ চিকিৎসকদের মুখে মুখে ফেরে। ক্লাসে কোনো মডেল বা চার্ট ছাড়া শুধু কথায় আর হাতের ইশারায় আমাদের তখনকার স্যাররা মানবশরীরের জটিল গড়ন বোঝাতেন এমনভাবে যে একবার শুনলে আর ভোলা যেত না।’

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়েছেন যে চিকিৎসকেরা

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। বিজয়ের আনন্দে ভাসছে সারা দেশ। কিন্তু সেই আনন্দের পাশাপাশি ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশ গড়ে তোলার অসামান্য চ্যালেঞ্জ। হাসপাতাল ভাঙা, চিকিৎসক সংকট, মানুষের ক্ষত—সবকিছু মিলিয়ে সেদিন যে চিকিৎসকেরা হাল ধরেছিলেন, তাদের মধ্যে উজ্জ্বল ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) গর্বিত সন্তানেরা। দেশের দ্বিতীয় প্রাচীনতম এই মেডিকেল প্রতিষ্ঠান শুধু চিকিৎসক তৈরি করেনি, তৈরি করেছে রাষ্ট্র গড়ার কারিগর।

অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন; আগুনে পোড়া মানুষের আশার আলো। ১৯৭৩ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করার পর স্বাধীন বাংলাদেশে কর্মজীবন শুরু করেন সামন্ত লাল সেন। মুক্তিযুদ্ধের ক্ষত তখনো শুকায়নি। ১৯৭৫ সালে প্রত্যন্ত হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি।

১৯৮০ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগ দেন এবং অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা থেকে ‘ডিপ্লোমা ইন স্পেশালাইজড সার্জারি’ অর্জন করেন। একই বছর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে কাজের সময় যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসনে নিজেকে নিয়োজিত করেন। মাত্র পাঁচটি বেড নিয়ে শুরু হয় পোড়া রোগী ও যুদ্ধাহতদের সেবা।

১৯৮৬ সালে অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে ঢাকা মেডিকেলে দেশের প্রথম বার্ন বিভাগ চালুতে মূল ভূমিকা রাখেন সামন্ত লাল সেন। ২০০৩ সালে ৫০ শয্যার স্বতন্ত্র বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি ছিলেন এটির প্রতিষ্ঠাকালীন পরিচালক। ২০১০ সালের নিমতলী ট্র্যাজেডিসহ অনেক জাতীয় দুর্যোগে তার নেতৃত্বে শত শত দগ্ধ মানুষ নতুন জীবন পেয়েছেন। সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পরও তাকে বার্ন ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সর্বশেষ বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের একজন সাবেক শিক্ষার্থীর সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।

অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতার; লাখো নবজাতকের জীবনদাত্রী। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের এই কৃতী সন্তান স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যায় এমন একটি উদ্ভাবন করেছেন, যা বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মা ও নবজাতকের জীবন রক্ষা করতে অনন্য ভূমিকা রেখেছে। তার এই উদ্ভাবন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশে যখন মাতৃমৃত্যুর হার ছিল উদ্বেগজনক, তখন তার মতো চিকিৎসকরাই দেশের মা ও শিশুস্বাস্থ্যের ভিত গড়েছিলেন। চমেক থেকে পাস করে দেশের সেবায় নিজেকে নিবেদিত করেন তিনি। তার গবেষণা ও চিকিৎসাপদ্ধতি আজও বাংলাদেশের প্রসূতি চিকিৎসার ক্ষেত্রে অনুসরণ করা হয়।

অধ্যাপক ডা. এমএ ফয়েজ; মেডিসিনের প্রাতঃস্মরণীয় শিক্ষক। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের বিশিষ্ট অধ্যাপক ডা. এমএ ফয়েজ মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশে চিকিৎসা শিক্ষার ভিত নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা রেখেছেন। যখন যুদ্ধ-পরবর্তী দেশে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রচণ্ড সংকট, তখন তার মতো শিক্ষকরাই পরবর্তী প্রজন্মের চিকিৎসকদের গড়ে তুলেছিলেন। চট্টগ্রামের সেরা মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের অন্যতম হিসেবে স্বীকৃত এই চিকিৎসক দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের রোগীদের কাছে দশকের পর দশক ধরে আস্থার প্রতীক হয়ে আছেন।

অধ্যাপক ডা. শাহাদুজ্জামান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চমেকের পতাকা তুলে ধরেছেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ শুধু দেশের সীমানায় নয়, আন্তর্জাতিক মঞ্চেও তার সন্তানদের মাধ্যমে গর্বিত। অধ্যাপক ডা. শাহাদুজ্জামান বর্তমানে যুক্তরাজ্যের ব্রাইটন অ্যান্ড সাসেক্স মেডিকেল স্কুলে অধ্যাপনা করছেন। চমেকের শিক্ষায় ঋদ্ধ হয়ে তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণা ও চিকিৎসা শিক্ষায় অবদান রাখছেন। মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী প্রজন্মের এই চিকিৎসক প্রমাণ করেছেন, চট্টগ্রামের মাটিতে গড়া জ্ঞান বিশ্বমঞ্চেও সমান মর্যাদায় দাঁড়াতে পারে।

অধ্যাপক ডা. এএসএম ফজলুল করিম প্রবাসেও দেশের সেবা করেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত চমেক অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রেখে চলেছেন অধ্যাপক ডা. এএসএম ফজলুল করিম। মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী প্রজন্মের এই চিকিৎসক প্রবাসে থেকেও মাতৃপ্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করে চলেছেন অক্লান্তভাবে।

পুরোনো ভবন, পুরোনো সরঞ্জাম : ইটে ইটে ইতিহাস

চমেকের পুরোনো একাডেমিক ভবনটি আজও দাঁড়িয়ে আছে কিছুটা ঝুঁকে—কিছুটা ক্লান্ত, কিন্তু গর্বিতভাবে। এর হলুদ দেয়ালে লেগে আছে ছয় দশকের হাতের স্পর্শ। পুরোনো অ্যানাটমি হলে এখনো আছে সেই কাঠের বেঞ্চ, যেখানে বসে একসময় পড়াশোনা করেছেন যারা, তারা আজ দেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসক। প্যাথলজি ল্যাবে রাখা পুরোনো মাইক্রোস্কোপগুলো এখন কার্যত স্মারক। যে মাইক্রোস্কোপে চোখ রেখে কেউ প্রথমবার দেখেছিলেন ক্যানসার কোষের রূপ, সেটি এখন ইতিহাসের সাক্ষী। লাইব্রেরিতে এখনো আছে গ্রে’স অ্যানাটমির পুরোনো সংস্করণ—পাতাগুলো হলুদ হয়ে গেছে, কিন্তু জ্ঞান চিরসবুজ। পুরোনো অপারেশন থিয়েটারের কথা উঠলে প্রবীণ নার্সরা এখনো আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। সত্তরের দশকে যেখানে জেনারেটর ছিল না, লোডশেডিং হলে টর্চ আর মোমবাতি হাতে অস্ত্রোপচার চলত, সেই থিয়েটারেই জীবন ফিরে পেয়েছেন অগণিত রোগী।

আজকের চমেক অনেক বড়Ñপাঁচ হাজারের বেশি বেড, দেড় শতাধিক বিভাগ, শত শত চিকিৎসক; কিন্তু সমস্যাও কম নয়। অতিরিক্ত রোগীর চাপে হাঁসফাঁস করে ওয়ার্ডগুলো। অবকাঠামো বহু জায়গায় পুরোনো। সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব প্রকট। তবু প্রতিটি দিন ভোরে এই হাসপাতালের গেটে যখন শত শত রোগী ভিড় করেন দূর পাহাড় থেকে, কক্সবাজার থেকে এবং রাঙামাটি থেকে, তখন বোঝা যায়, চমেকের প্রয়োজনীয়তা ফুরোয়নি, বরং আরো বেড়েছে।

চমেক জানায়, গত পাঁচ বছরে ফিলিস্তিন, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল ও ভুটান থেকে ৮৬ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন। ঢাকা থেকে এসে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়া ফার্মাকোলজি ও ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আহনাফ তাহমিদ বলেন, ‘চমেকে পড়াশোনা মানে শুধু ক্লাস-লেকচার নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটা ইতিহাসের স্পর্শ। আমরা যেদিন পুরোনো একাডেমিক ভবনে প্রথম ক্লাস করতে গিয়েছিলাম, মনে হয়েছিল—এই তো সেই হলঘর, যেখানে ৬০ বছর ধরে হাজারো ডাক্তার বসে স্বপ্ন দেখেছেন। এখানকার হলুদ দেয়াল, পুরোনো বেঞ্চ, ল্যাবের সেই পুরোনো মাইক্রোস্কোপ—সবকিছু মিলিয়ে মনে হয় যেন একটা জীবন্ত জাদুঘরে পড়ছি। কিন্তু চমেকের সবচেয়ে বড় শক্তি তার মানুষগুলো। সিনিয়ররা যেভাবে আমাদের হাত ধরে পথ দেখান, তা অবিশ্বাস্য। রোগীর চাপ, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতাÑসবকিছু সত্ত্বেও এখানে যে ধরনের ক্লিনিক্যাল এক্সপোজার পাওয়া যায়, সেটা দেশের আর কোথাও পাওয়া সম্ভব বলে মনে করি না। ওয়ার্ডে দাঁড়িয়ে একজন রোগীর চোখের দিকে তাকিয়ে যখন বুঝতে পারি, আমাদের শেখাটা তাদের জীবন বদলে দিতে পারে, তখনই চিকিৎসক হওয়ার প্রকৃত অর্থটা বুঝতে পারি।’

তিনি আরো বলেন, ‘চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ আমার কাছে শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, এটা একটা অনুভূতি। এখানে দাঁড়ালে মনে হয়, আমি এমন এক জায়গায় আছি, যেখানে চিকিৎসার ইতিহাস লেখা হয়েছে, আর আমরাই সেই ইতিহাসের নতুন অধ্যায়ের শিক্ষার্থী।’

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, ‘বর্তমানে চমেকে নানা ধরনের সমস্যা রয়েছে, যার বেশিরভাগই দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, জনবল সংকট ও অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে তৈরি হয়েছে; তবুও চমেকে অসাধারণ সব কাজ চলছে।’

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন