বিশ্বসেরা ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় বেরোবির ৩ শিক্ষক, ১ শিক্ষার্থী

বিশ্বসেরা ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় বেরোবির ৩ শিক্ষক, ১ শিক্ষার্থী

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানী ও গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) তিন শিক্ষক ও এক শিক্ষার্থী। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মর্যাদাপূর্ণ এ তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজনের স্থান পাওয়ায় গবেষণা কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেদারল্যান্ডসভিত্তিক বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার-এর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত গবেষণা ও জরিপের ভিত্তিতে ২০২৬ সালের বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানী ও গবেষকের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রকাশিত তালিকায় বেরোবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান, সহযোগী অধ্যাপক মো. হাসান আলী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু রেজা মো. তৌফিকুল ইসলাম ও একই বিভাগের শিক্ষার্থী অভিজিৎ ঘোষ স্থান পেয়েছেন।

তালিকায় স্থান পাওয়া অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান গবেষণার পাশাপাশি বর্তমানে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় নিজের ধারাবাহিক সাফল্যের বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু রেজা মো. তৌফিকুল ইসলাম বলেন, “বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানী (Top 2% Scientists) তালিকা ২০২৬-এ অন্তর্ভুক্ত হতে পেরে মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় ধারাবাহিকভাবে পঞ্চমবার (২০২২–২০২৬) স্থান পাওয়া আমার গবেষণা জীবনের এক অনন্য স্বীকৃতি।”

তিনি বলেন, “এই অর্জন আমার পরিবার, সহ-গবেষক, শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও সকল সহযোগীদের প্রতি উৎসর্গ করছি। তাঁদের অবদান, সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণাই আমার গবেষণা যাত্রার শক্তি। গবেষণা, জ্ঞান সৃষ্টি ও সমাজের কল্যাণে অবদানের এই পথচলা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”

এ অর্জন প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও তালিকায় স্থান পাওয়া অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, “আমরা তিনজন শিক্ষক ও একজন শিক্ষার্থী এ তালিকায় স্থান পেয়েছি। ভবিষ্যতে এ সংখ্যা আরও বাড়বে। গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয় আরও এগিয়ে যাবে। এ ধরনের অর্জন শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং এটি পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যই গর্বের বিষয়।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বেরোবির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার পরিধি ও মানোন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিতি ও গবেষণার সক্ষমতা আরও দৃশ্যমান হবে।

তাদের মতে, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এমন সাফল্য অন্য গবেষকদেরও গবেষণায় আরও উৎসাহিত করবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন