ক্রিকেটের পাশাপাশি সিনেমাতেও অভিনয়ের কথা ভেবেছিলেন বাংলাদেশি খেলোয়াড় সাকিব আল হাসান। কিন্তু মাঝপথেই সিনেমা থেকে সরে যান তিনি। আর তাতেই বন্ধ হয়ে যায় সিনেমার কাজ। এমনই অভিযোগ করলেন ছবির পরিচালক রাজিবুল হোসেন। এ নিয়ে নিজের ফেসবুকে কয়েকদিন ধরেই পোস্ট দিয়েছেন পরিচালক।
শহরের পাঁচ তরুণ-তরুণীর গল্প নিয়ে ‘সবকিছু পেছন ফেলে’ ছবি নির্মাণ শুরু করেছিলেন রাজিবুল। সাকিবকে নিয়ে কক্সবাজারে শুটিং করেন। পরে এ নিয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে শুটিং করতে অস্বীকার করেন সাকিব। বিপদে পড়েন পরিচালক, থেমে যায় সিনেমার শুটিং। শেষ পর্যন্ত সিনেমার কাজই বন্ধ করে দেন নির্মাতা।
গতকাল রোববার ফেসবুকে রাজিবুল লিখেন, ‘চুক্তি ছিল সিনেমার, অভিনয়ও করেছিলেন, প্রমাণ আছে ক্ল্যাপস্টিকে-তবুও সাকিব বললেন, আমি তো সিনেমায় অভিনয় করিনি!’
পরিচালনার পাশাপাশি সিনেমার প্রযোজকও ছিলেন রাজিবুল হোসেন। ছবির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিল ফুজি ফিল্ম বাংলাদেশ। তাদের মাধ্যমেই সাকিব আল হাসান এই সিনেমার সঙ্গে যুক্ত হন বলে জানান নির্মাতা।
নির্মাতা বলেন, পরিকল্পনামাফিক বাংলাদেশের কক্স বাজার সৈকতে ছবির শুটিং শুরু হয়। সব মিলিয়ে ৮ দিন শুটিংয়ে করার কথা ছিল সাকিবের। সবকিছু পরিকল্পনামাফিক শুরু হলেও যেই ছবিতে সাকিবের অভিনয়ের কথা প্রকাশ্যে আসে, তখনই আচমকা বেঁকে বসেন সাকিব।
কিন্তু রাজিবুলের দাবি, ততদিনে ৬৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। এতো বড় ধাক্কা সামলাতে পারেননি তিনি। তাই ছবির কাজ পুরোপুরি বন্ধ করে বাধ্য হন নির্মাতা।
রাজিবুল বলেন, ‘ফুজিফিল্মের থেকে পরিচালককে সাকিবের অংশ বাদ দিতে চাপ দেওয়া হয়। তত দিনে আমার ছবির শুটিংয়ে ৬৫ লাখ টাকা খরচ হয়ে যায়। আমি পুরো ব্যাপারটায় ট্রমাটাইজড হয়ে পড়ি। বাধ্য হয়ে শুটিং বন্ধ করে দিই। এরপর আর ছবিটির কাজ হয়নি।’
ঘটনার কথা ফাঁস হতেই সমালোচনা শুরু হয়েছে প্রাক্তন ক্রিকেটারকে নিয়ে। যদিও গোটা বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি বাংলাদেশের অলরাউন্ডার।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

