কে জানত

কে জানত

আমার একটা ওয়াক্ত ছিল রোজ

একটি পাখি আসত নিতে খোঁজ;

বিজ্ঞাপন

তার মনে যে কুটিল কারিকুরি—

কে জানতে সে করবে এ মন চুরি!

সন্ধ্যা হলেই উঠত আমার চাঁদ,

তার আলোতে ভিজত মনের ছাদ!

আজকে সে চাঁদ ডুবেছে দুর্দিনে—

কে জানত যে কী আছে কার মনে?

কত আশার ছিল বুকে ঘর,

তার ওপরে করেছি নির্ভর;

ঝোড়ো হাওয়ায় ভাঙল আশার বাসা—

কে জানত সে এমন সর্বনাশা?

দেহের মাঝে ছিল রুহের ফল—

যত্ন করে দিতাম কত জল;

নিয়ে গেল নিঠুর মরণ এসে—

কে জানত সে ঝরবে অবশেষে?

চাঁদের কথন

চাঁদ-তারা একদিন ভেঙে নীরবতা

বলছিল নিজেদের গরবের কথা—

তারা বলে, ক্ষুদ্র তুমি, ধার করে জ্বলো,

আমি দেখো মহাকায়, আছে নিজ আলো।

চাঁদ হাসে মিটিমিটি—বলে, শোনো ভাই,

এ এমন কী ব্যাপার? ওইসব ছাই!

হতভাগা তুমি বড় থাক দূরে বসে,

হায়াত ফুরালে যাও অগোচরে খসে।

আমি ঘুরি পৃথিবীকে ঘিরে চারদিক,

কোটি মানুষের আমি প্রেমের প্রতীক।

তারা বলে, তোমার কী এমন গুণ?

আমারও সুনাম আছে তোমার দ্বিগুণ।

চাঁদ বলে, হে সেতারা, কী বলি তোমাকে হায়,

আহা কী যে সাধ ছিল রাসুলের ইশারায়!

মন করে পুনরায় ভেঙে যাই সে আদেশে—

কখনো ভেঙেছ তুমি কারো তরে ভালোবেসে?

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন