চট্টগ্রামের আলোচিত ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম গত ২৩ আগস্ট জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। নগরের বায়েজিদ বোস্তামী লিংক রোড এলাকা থেকে বিদেশি অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তারের পর প্রায় ছয় মাস কারাগারে ছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রী তাসফিয়া আমিন হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজি ও নাশকতাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী লিংক রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইকরামকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। এ সময় তাঁর কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচটি ম্যাগাজিন ও ৫৬টি গুলি উদ্ধারের কথা জানায় সংস্থাটি। পরে তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়।
র্যাবের ভাষ্য, একসময় বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের সহযোগী ছিলেন ইকরাম। তাঁর বিরুদ্ধে বায়েজিদ বোস্তামী, অক্সিজেন ও মুরাদপুর এলাকায় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। বিদেশে অবস্থানকালে হোয়াটসঅ্যাপে ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবি করতেন বলেও র্যাব জানিয়েছে।
ইকরামের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে পেট্রলবোমা নিক্ষেপের মামলাও রয়েছে। ওই মামলায় অভিযোগপত্রে বড় সাজ্জাদের নির্দেশে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির কথা উল্লেখ করা হয়। ২০২৩ সালে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।
এ ছাড়া তাসফিয়া আমিন হত্যা মামলার আসামি হওয়ার পর ইকরাম দেশ ছেড়ে বিদেশে চলে যান বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য। পরে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

