বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহাজাহান বলেছেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের স্বার্থের প্রশ্নে কখনো কোন আপস করেনি ভবিষ্যতেও করবে না। বিএনপি কোনো আধিপত্যবাদের কাছে কখনো মাথা নত করেনি। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনীতির মূল লক্ষ্য দেশের মানুষের কল্যাণ এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নোয়াখালী জেলা বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি শাহজাহান বলেন, তারেক রহমানের কাছে সবার আগে দেশ, সবার আগে দেশের জনগণ। ব্যক্তিগত স্বার্থ বা ক্ষমতার জন্য নয়, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যেই তিনি রাজনীতি করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন শুধু বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থান, কৃষকের ন্যায্য অধিকার, তরুণদের ভবিষ্যৎ, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বর্তমান সরকার কাজ করছে।
বিএনপিসহ দেশের আপামর মানুষের অনেক ত্যাগ, সংগ্রাম ও অনেক তাজা প্রাণের বিনিময়ে এদেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে উদ্যমে গণতন্ত্রের প্রত্যাশিত পথ তৈরি করেছে। তাই রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের মতামত ও প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি আমরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশীদ আজাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক
এডভোকেট এবিএম জাকারিয়া, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবদুর রহমান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম কিরণ, নোয়াখালী পৌর বিএনপি সাবেক সভাপতি আবু নাসের, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সলিম উল্লা বাহার হিরন চেয়ারম্যান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দীন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান,
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাবের আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজগর উদ্দীন দুখু,
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এনবিএস রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান রাহানসহ আরো অনেকে।
শাহজাহান আরো বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে। দেশের প্রতিটি অঞ্চলের মানুষের সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশের স্বার্থের প্রশ্নে কোনো আপস করা যাবে না। দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে। কারণ আমাদের সবার পরিচয়ের আগে বাংলাদেশ। দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে। কারণ আমাদের সবার পরিচয়ের আগে বাংলাদেশ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

