পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী সতর্ক করে বলেছে, দেশটির বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের ‘দ্রুত ও সমুচিত জবাব’ দেওয়া হবে। দেশটির প্রতিরক্ষা ও শহীদ দিবসের ৬১তম বার্ষিকীতে সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরসহ সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা দেশের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী ‘সম্পূর্ণ প্রস্তুত’ রয়েছে।
সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, পাকিস্তান এই অঞ্চলে ‘শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি’ চায় এবং ‘দায়িত্বশীল আচরণ ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে’ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তবে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই প্রতিশ্রুতিকে কোনোভাবেই দুর্বলতা হিসেবে ভুল করা উচিত নয়।’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসনের ‘দ্রুত ও সমুচিত জবাব’ দেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়।
আইএসপিআর জানায়, আসিম মুনিরের সঙ্গে নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল নাভিদ আশরাফ, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জহির আহমদ বাবর সিধু, ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের কমান্ডার জেনারেল সৈয়দ আমের রাজা এবং সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা পাকিস্তানের শহীদদের প্রতি ‘গভীর শ্রদ্ধা’ নিবেদন করেন।
এ সময় তারা শহীদদের পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি যুদ্ধে আহত ও বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখা সেনাসদস্যদের প্রতিও ‘গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা’ জানান।
সামরিক বাহিনী বলেছে, ৬ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের জাতীয় ঐক্য, সাহস ও দৃঢ়তার ‘চিরন্তন প্রতীক’ হয়ে আছে। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে মাতৃভূমি রক্ষায় পাকিস্তানের জনগণ কীভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, দিনটি সেই স্মৃতিই স্মরণ করিয়ে দেয়।
প্রতিরক্ষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে সামরিক বাহিনী পাকিস্তান ও এর জনগণের প্রতি অবিচল দায়িত্ব পালনের ‘গুরুতর অঙ্গীকার’ পুনর্ব্যক্ত করেছে।
আইএসপিআর বলেছে, ‘আমাদের শহীদদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ, গাজিদের চেতনা এবং তাদের পরিবারের দৃঢ়তা চিরকাল জাতীয় শক্তি ও গৌরবের উৎস হয়ে থাকবে।’
সূত্র: জিও নিউজ
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


