ডিজিটাল যুগে সাইবার জগতে অপরাধ বেড়েছে। দিনদিন বাড়ছে এর মাত্রা। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটও হ্যাক হচ্ছে। ভুয়া তথ্য ও ভুয়া ভিডিও ছড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ব্যক্তি বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে নকল ভুয়া কার্ডের ছড়াছড়ি হচ্ছে বেশী। ভুয়া কার্ডে আবার মূল ধারার গণমাধ্যমের লোগো ব্যবহার হচ্ছে। আর এতে দেশের পাঠক ও দর্শক বিভ্রান্ত হচ্ছে। সাইবার অপরাধ ঠেকাতে সরকার ও নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
বুধবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে নাগরিক কোয়ালিসন্স আয়োজিত 'সাইবার নিরাপত্তা ও আগামীর চ্যালেঞ্জ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
গোলটেবিল বৈঠকে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, বর্তমান সরকার সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে কাজ করছে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে। এই তথ্য সন্ত্রাস বন্ধে সরকার সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের প্রণীত সাইবার সিকিউরিটি আইন এখনও বলবৎ আছে। তবে এই আইনে কেউ যাতে অবিচারের শিকার না হয় সেক্ষেত্রে সরকার সতর্ক রয়েছে। তিনি দাবি বলেন, সরকার এখনও কোন অনলাইন থেকে কোন কনটেন্ট সরাতে বিটিআরসিকে চাপ প্রয়োগ করেনি।
গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলম। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী বলেন, ইউনেস্কোর ঢাকা অফিসের প্রধান সুসান ভাইজ, সুইডেন দূতাবাসের রাজনৈতিক সেক্রেটারি পাওলসহ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ।
এএস
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

