তেহরানের জনাকীর্ণ রাস্তা থেকে খোরাসানের ঘুমন্ত গ্রাম, ইয়াজদের বিশাল মরুভূমি থেকে মাজানদারানের ঘন বন—ইরানের সর্বত্র কবিতার প্রতিধ্বনি।
একজন ট্যাক্সি ড্রাইভার মাওলানা রুমীর মসনভী আবৃত্তি করছেন, একজন বেকার ওমর খৈয়ামের উদ্ধৃতি দিচ্ছেন, একজন ডাক্তার শেখ সাদীর গুলিস্তাঁ বা বোস্তাঁ থেকে একের পর এক বয়েত আওড়িয়ে রোগীদের ভগ্ন মানসিকতা কাটিয়ে তুলছেন—এটি ইরানের সাধারণ দৃশ্য।
তবে সব ফারসি কবির মধ্যে হাফিজ শিরাজী ইরানিদের কাছে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছেন। হাফিজ সিরাজী ইরানের জাতীয় কবি। ইরানের সাংস্কৃতিক রাজধানী শিরাজ নগরে বিশাল বিশাল গাছপালা আর সুন্দর বাগানে ঘেরা হাফিজের মাজার। বিশ্বজুড়ে ফারসি সাহিত্যের সৌরভ আর ঊর্ধ্বগামী আত্মমগ্ন নিবেদনের আনন্দ সমীরণ ছড়িয়ে এখন শান্তিতে বিশ্রাম নিচ্ছেন এই পারস্য প্রতিভা।
হাফিজের কবিতা ইরানি সমাজে প্রবাদের মতো প্রচলিত। গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনে, মজলিশে-জলসায় ইরানিরা কবির শ্রেষ্ঠ রচনা ‘দিওয়ানে হাফিজ’-এর শরণাপন্ন হন। হাফিজ হতাশ করেন না অনুরাগীদের।
হাফিজের কবিতা ফুরিয়ে যাওয়া শুষ্ক আত্মার জন্য প্রশান্তি। তার কবিতা কখনো প্রকৃতির সঙ্গে একাত্মতাবোধক, যেখানে বাতাসের বাঁশি, পাখির গান আর পানির স্রোতের কলকলানি। কখনো নিসর্গের সমস্ত সুর জীবনের আনন্দ হয়ে নেচে ওঠে হাফিজের কবিতায়।
২.
হাফিজ শিরাজী জন্মেছিলেন চৌদ্দশ খ্রিষ্টাব্দের প্রথম দিকে। জীবদ্দশায় হাফিজের কবিখ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল বিশ্বময়। সে সময় বাংলাদেশ ছিল সালতানাত-ই-বাঙ্গালের অংশ। বাংলা সালতানাতের রাজধানী তখন সোনারগাঁও। স্বাধীন বাংলা সালতানাতের তৃতীয় সুলতান সালতানাত-ই-বাঙ্গালের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহের তৃতীয় প্রজন্ম ছিলেন গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ। সালতানাতের রাজভাষা তখন ফারসি। সুলতান গিয়াস ছিলেন কবি এবং শিক্ষা-ধর্ম ও শিল্প-সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক। তার ন্যায়বিচার ও গুণপনার গল্প দুনিয়াজুড়ে চর্চিত।
সুলতানের নৈপুণ্যে বাংলা তখন শিক্ষা, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে বিশ্বের অন্যতম। বাংলার সুলতান মহানুভব গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সঙ্গে ইরানের কবি হাফিজের ছিল ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। সুলতান হাফিজের ঠিকানায় পত্র পাঠাতেন ইরানে। ইরানের শিরাজ শহর থেকে বাংলার সোনারগাঁয়ে আসত হাফিজের উত্তর।
চৌদ্দশ খ্রিষ্টাব্দের শেষ দিকে। সালতানাত-ই-বাঙ্গালার মহান সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়লেন। সুস্থতা নিয়ে তিনি যখন অনিশ্চিত, জানালেন তার শেষ ইচ্ছা। সারভ গুল ও লালা নামে সুলতানের ছিল তিন পরিচারিকা। তাদের প্রতি সুলতান ছিলেন সন্তুষ্ট। তাই মৃত্যুর পর তাদেরই দিলেন নিজের লাশ গোসলের দায়িত্ব। এদিকে সুচিকিৎসায় সেরে উঠলেন সুলতান। সুস্থ হয়ে ফিরে গেলেন রাজ্য শাসনকাজে। কিন্তু হেরেমে শুরু হলো তিন গোসলদাত্রী পরিচারিকাকে নিয়ে কানাকানি আর হাসি-তামাশা। মশকরা আর টিপ্পনীতে তখন তিন কন্যার ভীষণ মন খারাপ। অবশেষে সুলতানের কাছে জানাল নালিশ। তাদের মনোবেদনা দূর করতে সুলতান প্রিয় পরিচারিকাত্রয়কে নিয়ে লিখতে চাইলেন কবিতা। লিখলেন কবিতার প্রথম লাইন—
‘সাকী, হাদিসে সরভ ও গুল ও লালে মী রওয়াদ’
—সাকী! সারভ, গুল ও লালাকে নিয়ে কানাঘুষা চলছে।
কিন্তু দ্বিতীয় লাইন আর মিলাতে পারছিলেন না সুলতান। বারবার চেষ্টা করেও যখন পাচ্ছিলেন না জুতসই বাণীবন্ধ ও সমিল ছন্দ, তখন স্মরণ করলেন ইরানের গানের পাখি হাফিজ শিরাজীকে। দূত মারফত প্রথম চরণ পাঠালেন হাফিজের কাছে। আবদার করলেন দ্বিতীয় চরণ পূর্ণ করে দিতে। এই বার্তা নিয়ে রাজকীয় উপহারসামগ্রী সমেত সোনারগাঁও থেকে রাজপ্রতিনিধি পৌঁছে গেল পারস্য সভ্যতার সাংস্কৃতিক রাজধানী শিরাজ নগরিতে। মহাকবি হাফিজ বাংলার মহান সুলতানের আবদারে আপ্লুত হলেন। লিখে দিলেন দ্বিতীয় চরণ—
‘ওয়নে বহস বা গাসসালাহ মী রওয়াদ’
—গোপন তিন গোসলকারিণীকে নিয়ে কানাকানি চলছে।
সুলতান গিয়াসউদ্দিন পারস্যের মহাকবি হাফিজকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বাংলা সালতানাতের রাজধানী তিন দিকে নদীবেষ্টিত ফুলে ফলে সুশোভিত পাখপাখালির গানে মুখর সোনারগাঁয়ে আগমন ও ভ্রমণ করতে। আমন্ত্রণ পেয়ে আনন্দিত হিয়েছিলেন হাফিজ। কিন্তু এই সুদূর সফরে সক্ষম হননি। আনন্দ উপভোগের জন্য কষ্টসাধ্য ভ্রমণের চেয়ে কবিতায় মজে থাকাই ছিল কবির কাছে মহানন্দ। সুলতানের আমন্ত্রণ পেয়ে নিজের আনন্দের বিবরণ ও সংবরণের বিবরণ দিয়েছেন একই কবিতায়—
‘হাফেজ, যে শাওকে মাজলিসে সুলতান গিয়াসে দীন
গাফেল মশো কে কারে তো আয নালে মী রওয়াদ’
—হাফিজ, সুলতান গিয়াসুদ্দীনের দরবারের প্রতি আকর্ষণে বিভোর হয়ো না।
তোমার কাজ তো এই আর্তনাদের মাধ্যমেই সফল হচ্ছে।
বাংলা সালতানাত তখন ছিল শিক্ষা, শিল্প ও ইতিহাস-ঐতিহ্যে বিশ্বে অন্যতম। সুলতানের রাজদরবারে বাংলার কবিরা পাচ্ছেন বিশেষ আনুকূল্য। হিন্দু মুসলমান নির্বিশেষ বাংলা সাহিত্যচর্চায় শ্রেষ্ঠ কবিদের পৃষ্ঠপোষকতা করছেন সুলতান। মুসলিম ঐতিহ্যমণ্ডিত ফারসি ও আরবি থেকে অনুবাদ করছেন মুসলিম কবিরা। সংস্কৃত ভাষার পুরাণসমূহ বাংলায় অনুবাদে অর্থানুকূল্য পাচ্ছেন হিন্দু কবিকুল। বাংলা সালতানাত তখন বাংলা সাহিত্যচর্চারও জমজমাট রাজধানী। সেন আমলের দুঃশাসন কাটিয়ে বাংলা তখন এক নতুন জাগরণের উৎকর্ষের চূড়ায়। হাফিজের সমধুর কবিতা যাচ্ছে সমৃদ্ধ বাংলায়, সে কবিতা থেকে হিন্দুস্তানবাসীও আহরণ করতে পারবে মধু, কবিতায় তাই বলেছেন হাফিজ—
‘শেকার শেকান শাওয়ান্দ হামে তূতীয়ানে হেন্দ
যিনকান্দে পারসি কে বে বাঙ্গালে মী রওয়াদ’
—ভারতের তোতা পাখিরা মিষ্টি কথা বলতে শিখে যাবে
পারস্যের এই মিষ্টি কবিতা বাংলায় পৌঁছে গেলে।

৩.
বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সঙ্গে ফারসির সম্পর্ক হাজার বছরের। সুলতানি আমলে আরবি ছিল বাংলার মুসলমানদের ধর্মীয় ভাষা, ফারসি ছিল রাজকীয় বা সরকারি ভাষা। ফারসি রাজভাষা হলেও গৌড়ের স্বাধীন সুলতানরা প্রতি ছিলেন শ্রদ্ধাশীল, অনুরাগী ও পৃষ্ঠপোষক। ১৭ শতকের কবি আবদুল হাকীম ছিলেন প্রবলভাবে বাংলাচর্চার পক্ষে। বাংলায় অনাগ্রহীদের নিয়ে তার শ্লেষমিশ্রিত কবিতা বহুবিখ্যাত—
যে সবে বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী
সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি
(ড. মুহম্মদ এনামুল হক, মুসলিম বাঙ্গালা সাহিত্য, পৃ. ২০৮)
আবার আরবি-ফারসি ও বাংলা ভাষার পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়েও কবি লিখেছেন—
আরবী পড়িয়া বুঝ শাস্ত্রের ব্যাখ্যান
যথেক এলেম মধ্যে আরবী প্রধান।
আরবী পড়িতে যদি না পার কদাচিত।
ফারছি পড়িয়া বুঝ পরিণাম হিত।
ফারছি পড়িতে যদি বা পার কিঞ্চিৎ।
নিজ দেশী ভাষে শাস্ত্র পড়িতে উচিত।
* * *
ফারছি এলেম হয় আরবী তনয়।
আরবীর অনুরূপ ফারছি লিখয়।
* * *
হিন্দুশাস্ত্র পুস্তক যে ফারছি নন্দন।
পুস্তকের লিখিয়ে (আমি) ফারছি কথন।
এ তিন এলেম মধ্যে এক নাহি যার।
নিশ্চয় তাহার ‘দীন’ ঘোর অন্ধকার।
(ড. মুহম্মদ এনামুল হক, মুসলিম বাঙ্গালা সাহিত্য, পৃ. ২১১-১২)
ড. মুহম্মদ এনামুল হক বাংলায় ফারসির চর্চা প্রসঙ্গে লিখেছেন, “মুদ্রার পৃষ্ঠে ফারসী, মসজিদ-গাত্রে ফারসী, গৃহনির্মাণ লিপিতে ফারসী, শাহী ফরমানে ফারসী, ফৌজদারী ও দেওয়ানী আদালতে ফারসী, রাজস্ব বিভাগে ফারসী, শিক্ষা-দীক্ষা ও আলাপ-আলোচনায় ফারসী দেদার চলিতে লাগিল। বিদ্যাবত্তা, চাকরি-বাকরি, এমনকি সভ্যতা-ভব্যতার মাপকাঠিও অচিরেই ফারসী হইয়া উঠিল। অগত্যা বাংলার হিন্দু-মুসলমান সকলেই ফারসী শিখিতে শুরু করিলেন।” (মুসলিম বাঙ্গালা সাহিত্য, ড. মুহম্মদ এনামুল হক, ১৯৫৭, পৃ. ১৩৪)
৪.
গিয়াস ও হাফিজের এই কবিতা বা গজল সংকলিত আছে হাফিজের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ ‘দীওয়ান-ই-হাফিজ’-এ। এই ফারসি কাব্যগ্রন্থকে বলা যায় পৃথিবীর অন্যতম বহুপঠিত, অনূদিত ও আবৃত কবিতা সংকলন। পৃথিবীর প্রায় সব প্রধান ভাষায় অনূদিত হয়েছে এই গ্রন্থ। আর বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে বাংলার মহান সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ, তার কাব্যপ্রীতি, অর্ধ শতাব্দীর বেশি সময় বাংলায় ফারসিচর্চার ঐতিহ্য, সর্বোপরি বাংলার স্বর্ণসময়ের কথা।
বাংলায় ‘দীওয়ান-ই-হাফিজ’-এর অনুবাদ হয়েছে বহু জনের হাতে, বহুভাবে। কাজী নজরুল ইসলাম ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে দীওয়ান-ই-হাফিজের অনুবাদের জন্য ফারসি ভাষা শেখেন। ‘দীওয়ান-ই-হাফিজ’-এর মুখবন্ধে নজরুল লেখেন, “আমি তখন স্কুল পালিয়ে যুদ্ধে গেছি। সে আজ ইংরিজি ১৯১৭ সালের কথা। সেইখানে প্রথম আমার হাফিজের সঙ্গে পরিচয় হয়। আমাদের বাঙালী পল্টনে একজন পাঞ্জাবী মৌলবী সাহেব থাকতেন। একদিন তিনি দীওয়ান-ই-হাফিজ থেকে কতকগুলি কবিতা আবৃত্তি করে শোনান। শুনে আমি এমনই মুগ্ধ হয়ে যাই, যে, সেইদিন থেকেই তাঁর কাছে ফারসি ভাষা শিখতে আরম্ভ করি। তাঁরই কাছে ক্রমে ফারসি কবিদের প্রায় সমস্ত ফারসি কাব্যই পড়ে ফেলি। তখন থেকেই আমার হাফিজের ‘দীওয়ান’ অনুবাদের ইচ্ছা হয়। কিন্তু তখনো কবিতা লিখবার মত যথেষ্ট সাহস সঞ্চয় করে উঠতে পারিনি। এর বৎসর কয়েক পরে হাফিজের দীওয়ান অনুবাদ করতে আরম্ভ করি। আবশ্য, তাঁর রুবাইয়াৎ নয়, গজল।”
নজরুলের অনুবাদ সম্পন্ন হলে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে। যেদিন অনুবাদ শেষ হলো, নজরুলের জীবনে সেদিন ঘটল এক হৃদয়বিদারক ঘটনা—“যেদিন অনুবাদ শেষ হল, সেদিন আমার খোকা বুলবুল, চলে গেছে! আমার জীবনের যে ছিল প্রিয়তম, যা ছিল শ্রেয়তম, তারই নজরানা দিয়ে শিরাজের বুলবুল, কবিকে বাঙলায় আমন্ত্রণ করে আনলাম।”
হাফিজ শিরাজীকে সুলতান সিয়াসউদ্দিনের বাংলায় আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে নজরুল লেখেন, “বাঙলার শাসনকর্তা গিয়াসুদ্দিনের আমন্ত্রণকে ইরানের কবি-সম্রাট হাফিজ উপেক্ষা করেছিলেন। আমার আহ্বান উপেক্ষিত হয়নি। যে পথ দিয়ে আমার পুত্রের ‘জানাজা’ (শব-যান) চলে গেল, সেই পথ দিয়ে আমার বন্ধু আমার প্রিয়তম ইরানি কবি আমার দ্বারে এলেন। আমার চোখের জলে তাঁর চরণ অভিষিক্ত হল!”
সুলতান সিয়াস রচিত যে চরণের মাধ্যমে কবিতাটির সূচনা, হাফিজ শিরাজীর হাতে তার পূর্ণতা। পূর্ণ কবিতাটি ‘দীওয়ান-ই-হাফিজ’-এ সংকলিত। নজরুল ছাড়াও দীওয়ান অনুবাদ করেছেন অনেকেই। দীওয়ানের ২২৫ নাম্বার কবিতা বা গজলটি ১৯৬১ খ্রিষ্টাব্দে অনুবাদে প্রকাশিত হয়েছিল আজাদ প্রকাশনী থেকে।
গোলাপ সরব লালার কথ্য চলছে সাকী হরেক প্রকার,
তিন সেবিকার কিসসা নিয়ে সবাই করে বাদ ও বিচার।
শরাব আনো, বনের কণে হলো যে আজ রূপের রাণী,
ভবের খেলা খেলছে সবে কৌশলে এক রূপাজীবার।
ভারতী সব তুতীর মুখে ঝরবে কেবল মিষ্টি মধু,
ইরানের এ মিছরীদানা পড়লে গিয়ে বঙ্গ মাঝার।
হের তাহার যাদু আঁখি মুনি তাপস ভোলে যাতে,
একটি বিলোল চাউনি মাঝে কুহক রাজে হাজার হাজার।
ঘর্মগলা গণ্ড তাহার হেবে যবে উদ্যানেতে
শরমেতে ঘর্ম ঝরে যূথির গালে শিশির আকার।
ডুলো’ত ফেরেববাজি এ দুনিয়ার, খানকি সে তো!
উঠতে ধোঁকা বসতে ধোঁকা স্বভাব জানি এমনি তাহার।
হয়ো না ভাই সামরি সম, উড়িয়ে দিয়ে সোনা যেজন
মুসা নবীর বাণী তুলি করলো সেবা গো প্রতিমার।
হাফিজ ওগো। গিয়াস শাহার সভার সখে কভু দেখো
ছাড়িও না কান্না যেন কাঁদনেতেই লভ্য তোমার।
(দীউয়ান-ই-হাফিজ, অনুবাদ: কাজী আকরম হোসেন, আজাদ প্রকাশনী, পৃ. ৯১, ১৯৬১)
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

