২০২৬ সালের শেষ দিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রথম মেয়াদে পরমাণু শক্তিধর দেশটির নেতার সঙ্গে গড়ে তোলা সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ বলে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সামনে জানান তিনি।
ট্রাম্প বলেন, কিমের সঙ্গে ‘ভালো সম্পর্ক রাখা’ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, উত্তর কোরিয়ার কাছে এখন ৫৭টি ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। হোয়াইট হাউসে নতুন হেলিপ্যাড পরিদর্শনের সময় ট্রাম্পকে ২০২৬ সালের শেষ দিকে কিমের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি করব।’ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানোর মধ্যেও উত্তর কোরিয়ার নেতার সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনার পক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি দাবি করেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক বোমা ঠেকানোর কারণেই এ যুদ্ধ চালাচ্ছেন।
কিমের প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘তার কাছে ৫৭টি অত্যন্ত শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। কখনোই এমনটা হতে দেওয়া উচিত ছিল না। আমি প্রেসিডেন্ট হলে তা হতে দিতাম না। কিন্তু তার কাছে এগুলো আছে। তার সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক। আমি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে দিতে পারি না। আর আমি কিম জং উনকে খুব ভালোভাবে চিনি এবং সে ভালোই থাকবে।’
নভেম্বরে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা (এপেক) সম্মেলনে যোগ দিতে চীনের শেনঝেনে যাওয়ার সময় তিনি কিমের সঙ্গে বৈঠকের কথা ভাবছেন। এক বিবৃতিতে কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং বলেন, ‘উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের মধ্যে যোগাযোগ নিয়ে ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক খবর সম্পর্কে আমি সম্পূর্ণ অজ্ঞাত।’ তবে তিনি বলেন, ট্রাম্প সম্পর্কে তার ভাইয়ের এখনো ‘ভালো স্মৃতি ও অনুভূতি’ রয়েছে এবং দুই নেতার সম্পর্ক ‘চমৎকার’ রয়েছে।
সূত্র: এএফপি ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


