চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আসামি খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি। গত ২০ আগস্ট এই রিমান্ড আবেদন করেন সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. মুজিবুর রহমান। ওই দিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত রিমান্ড শুনানির জন্য আগামী ২৭ আগস্ট শুনানির দিন ধার্য করেন।
সোমবার সিআইডির প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম রিমান্ড আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে গত ৯ আগস্ট ভোরে ওমরাহ পালনে সৌদি আরব যাওয়ার উদ্দেশ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গেলে বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা থাকায় ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে আটক করে সিআইডির হাতে সোপর্দ করে। ওই দিনই বিকেলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে গত ১২ অগাস্ট তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত।
রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, এটি একটি আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, আসামির সহযোগী অপরাধীদের অবস্থান নির্ণয় ও তাদের গ্রেপ্তার এবং বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ডন কার ইন্ধনে ও কীভাবে বিদেশে পালানোর চেষ্টা করছিলেন, এই তিন মূল কারণে তাকে পুলিশ হেফাজতে এনে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
এর আগে, গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন-
সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ। এছাড়া এ মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহের মৃত্যুর পর, রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। তবে গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদী পক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


