গ্রামের এক মৃত মানুষের উদাহরণ দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির বলেন, এক ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় গ্রামবাসীকে জ্বালিয়েছে। মৃত্যুর পরেও তার শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে গিয়ে গ্রামবাসীকে মামলার জালে জড়িয়ে ও জেলে ঢুকিয়ে আরো বেশি জ্বালানো হয়েছিল। ওই মৃত ব্যক্তির সাথে তুলনা করে শাহরিয়ার কবির বলেন, যে লোক জীবিত অবস্থায় যতটা জ্বালিয়েছে মরার পর আরো বেশি জ্বালিয়েছেন তার নাম শেখ মুজিব।
শুক্রবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে মঞ্চ ২৪ আয়োজিত ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির অনৈক্য ও বাংলাদেশের ক্ষতি’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শাহরিয়ার কবির বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের মাধ্যমে এই জাতি অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়েছিল। তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, কর্নেল ফারুক বা রশিদের মতো মুক্তিযোদ্ধারা কেন শেখ মুজিবকে গুলি করে মেরেছিলেন। যখন দেশ ভারতকে বর্গা দেওয়া হচ্ছিল, তখন মুক্তিযোদ্ধারা এই পদক্ষেপ নেন।
তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তনের পর কর্নেল ফারুক ও রশিদকে ইনডেমনিটি বা আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে ২০ বছর পর সেই সুরক্ষা আইন বাতিল করেন এবং জড়িতদের ফাঁসিতে ঝোলান।
সিনিয়র আইনজীবী বলেন, সংবিধানে ইনডেমনিটি বা সুরক্ষা না ঢোকালে এবং ভারতের লিখিত সংবিধান পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত এই বিপ্লব চলমান থাকবে। শেখ হাসিনা বা শেখ মুজিব এখন মৃত এবং যারা ডিসেম্বরে ফিরে আসার স্বপ্ন দেখছেন, তারা কেয়ামত পর্যন্ত অপেক্ষা করলেও হাসিনা আর কোনোদিন ফিরে আসবেন না।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


