কোনো প্রার্থীর কর্মীরা যদি আচরণবিধিমালা লঙ্ঘন করে, তাহলে এর দায় কিন্তু প্রার্থীদের ওপর বর্তাবে। তাই তাদের কর্মীদের আচরণবিধিমালা সম্পর্কে অবগত করতে হবে। পাশাপাশি নির্বাচনি পরিবেশ সুন্দর রাখা কেবল নিরাপত্তা বাহিনীর নয়, প্রার্থীদেরও এর জন্য কাজ করতে হবে।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে প্রতীক বরাদ্দ ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
ঢাকা ১৫ ও ১৩-এর রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেন, আগামীকাল থেকে যেহেতু নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা শুরু হবে, আমি আশা করব, আপনারা আচরণবিধিমালা মেনে চলবেন। আপনাদের কর্মীদেরও মেনে চলতে বলবেন। তারা যদি আচরণবিধিমালা লঙ্ঘন করে, সেটার দায় কিন্তু প্রার্থীদের ওপরই বর্তাবে। তাই আমি বলব, আপনারা আচরণবিধি মেনে চলবেন, কর্মীদেরও মানতে বলবেন।
মোহাম্মদপুর থানার উপ-পুলিশ কমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ‘ঢাকা-১৩ আসনে পুলিশের পক্ষ থেকে দায়িত্বে থাকব আমি। এখানে কাজ করাটা চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে কোনো অনিয়ম হবে না বলে আমি বলতে পারি। আমরা ঢাকা-১৩ আসনে কোনো ছাড় দিব না। প্রার্থীদের আচরণবিধিমালা মেনে চলার অনুরোধ করছি। আমরা চাই সবাইকে নিয়ে সুন্দর একটা নির্বাচন করতে।’
ঢাকা-১৫ আসনে সেনাবাহিনীর মেজর নাফিসা বলেন, ‘আমরা ’২৪ ঘণ্টা ডেপ্লয়েড আছি। আপনাদের নিরাপত্তায় আমরা কাজ করব। তবে আপনাদের কাছে অনুরোধ করব, আপনারা আচরণবিধিমালা মেনে চলবেন, কোনো ধরনের মব সৃষ্টি করবেন না, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবেন না।’
ঢাকা-১৩ আসনের সেনাবাহিনীর মেজর আবু সালেহ মো. ইয়াহিয়া বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচন সুন্দর-সুষ্ঠুভাবে হবে, সেটা আমরা প্রত্যাশা করি। তবে আমি বলতে চাই, পরিবেশ ও নিরাপত্তা ঠিক রাখা কেবল নিরাপত্তা বাহিনীর না। প্রার্থীদেরও ভূমিকা রয়েছে। আমরা প্রত্যাশা করব, তারা আচরণবিধি মেনে চলবেন। এতে করে আমরা আবাধ ও সুষ্ঠু-সুন্দর একটি নির্বাচন করতে পারব, যেটা সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


গোয়ালন্দে পুলিশের অভিযানে ১২ আসামি গ্রেপ্তার