জয়শংকরের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের বৈঠক, সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে আলোচনা

জয়শংকরের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের বৈঠক, সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে আলোচনা
দিল্লিতে এস জয়শংকরের সঙ্গে বৈঠকে রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের বিদায়ী হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহর সঙ্গে রোববার দুপুরে এক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর।

পরে এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে জয়শংকর এই বৈঠককে ‘ফেয়ারওয়েল কল’ বা বিদায়কালীন সাক্ষাৎ বলে বর্ণনা করেছেন। হাইকমিশনার হিসেবে ভূমিকায় তিনি যে অবদান রেখেছেন, সে জন্য হামিদুল্লাহকে অভিনন্দনও জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

এদিনের বৈঠকের ছবি পোস্ট করে হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ লেখেন, ‘আঠারো মাসের কার্যকালে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে নীরবে ও ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি– যার ভিত্তি ছিল পারস্পরিক আস্থা, মর্যাদা ও অভিন্ন স্বার্থ।’

কূটনীতির ‘চিরাচরিত পথে না হেঁটে’ দুদেশের মানুষের মধ্যেকার নাড়ির টানকেই স্পর্শ করতে চেয়েছেন বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, দিল্লিতে বছর দেড়েকের কার্যকালের শেষে রিয়াজ হামিদুল্লাহ অচিরেই জেনেভাতে জাতিসংঘের কার্যালয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দিচ্ছেন।

দিল্লিতে তার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম, সম্প্রতি যার ক্রেডেনশিয়ালস বা নিয়োগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করেছে ভারত সরকার।

গত দেড়-দু’বছরে ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক যেরকম ওঠাপড়ার মধ্যে দিয়ে গেছে তা কার্যত নজিরবিহীন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রস্তাবিত ভারত সফর নিয়ে কথাবার্তা অনেকদূর এগোলেও শেষ পর্যন্ত কোনো না কোনো কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি। তবে এ সফর আয়োজনের ব্যাপারে এখনো দুই সরকারের মধ্যে আলোচনা চলছে বলেও জানা যাচ্ছে।

দিল্লিতে কূটনৈতিক সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছেন, রোববার ছুটির দিন দুপুরে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যেকার বৈঠক ছিল ‘বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাতের অতিরিক্ত কিছু’ – কারণ সম্পর্কের জটিলতার নানা দিক নিয়েও দু’পক্ষের মধ্যে কথাবার্তা হয়েছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন