আওয়ামী সন্ত্রাসী হামলায় নিহত কাশেমের জানাজা অনুষ্ঠিত

আওয়ামী সন্ত্রাসী হামলায় নিহত কাশেমের জানাজা অনুষ্ঠিত

গাজীপুর মহানগরের ধীরাশ্রম দাক্ষিণখান এলাকায় ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে সাবেক মন্ত্রী মোজাম্মেল হকের বাড়িতে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে মৃত্যুবরণ করেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সক্রিয় সদস্য আবুল কাশেম।

পরে রাত নয়টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদ আবুল কাশেমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে আওয়ামী লীগের বিচার ও রাজনৈতিক দল হিসেবে নিষিদ্ধের দাবিতে কফিন মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে কফিন মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। কফিন মিছিলটি শাহবাগের দিকে যায়।

বিজ্ঞাপন

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আরিফ সোহেল বলেন, ছয়মাস পরেও শহীদের মিছিল থামেনি। এসময় অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এতদিনেও ফ্যাসিবাদের কাউকে শাস্তির আওতায় আনা হয়নি। যতদিন বিপ্লবীরা বেঁচে থাকবে ততদিন আওয়ামী লীগের কবর না দেওয়া পর্যন্ত আমরা ক্ষান্ত হবো না।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার আর বিন্দুমাত্র অধিকার নাই। আওয়ামী লীগ যদি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করে, তবে শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়ে যাবো। সরকারের কাছে আবেদন, আর কোনো নয় ছয় নয়, আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে চিরতরে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।

এসময় হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, জাতিসংঘের প্রকাশিত প্রতিবেদনে হাসিনা হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত সেটা প্রকাশিত হয়েছে। ছয়মাস পরেও বিপ্লবীদের শহীদ হওয়ার ঘটনা এদেশে ফ্যাসিবাদ বিরোধী দলগুলোর জন্য 'সামগ্রিক ব্যর্থতা'। সরকার এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে পারেনি। পাঁচ আগস্টের পরে হয় আওয়ামী থাকবে না হয় আমরা থাকবো। এসময় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনি প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান তিনি।

আখতার হোসেন বলেন, ফ্যাসিবাদের কবল থেকে বাংলাদেশ মুক্তি পেলেও ছয় মাস পরে আমাদের ভাইকে কুপিয়ে আহত করে শহীদ করে দেওয়া হয়েছে। এদেশে আওয়ামী ফ্যাসিবাদীরা ত্রাসের রাজত্ব তৈরি করেছিল। কাশেমের হত্যাকাণ্ডের পেছনে যারা সক্রিয় ছিল তাদের বিচারের দাবি জানান তিনি।

এমএস

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন