বিগত সরকার তীব্র বিদ্যুৎ সংকটকে অর্থ লুটের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে। দায়মুক্তি অধ্যাদেশ জারি করে অপরাধকে আড়ালে রাখা হয়েছে।
রোববার বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন জাতীয় কমিটির প্রধান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎখাতে চলমান আর্থিক চাপ, উচ্চ বিদ্যুৎ মূল্য এবং অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতার মূল কারণ আকস্মিক বা স্বল্পমেয়াদি সংকট নয়; বরং এগুলো দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থা ও চুক্তিগত ব্যর্থতার ফল।
দরপত্র ছাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা হয়েছে, ব্যাপক দুর্নীতি অনিয়ম হয়েছে, জ্বালানি নিশ্চয়তা না পেয়েও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা হয়েছে, চারগুণ বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে, ক্যাপাসিটি পেমেন্ট বেড়েছে ২০গুণ, যা ছিল জাতীয় স্বার্থ পরিপন্থি।
বেশি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপন এবং অস্বাভাবিক দাম এই দুই কারণে ঝুঁকিতে পড়েছে বিদ্যুৎ খাত। চুক্তির অনিয়মের কারণে এগুলো হয়েছে।
জরুরি আইনের ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে। বারবার নবায়ন হয়েছে। প্রতিযোগিতা আইন উপেক্ষিত হয়েছে। এর ফলে বিদ্যুৎতের দাম লেনদেন ভিত্তিতে হয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

