একটি দল ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে। দুর্ভাগ্যের বিষয় আমাদের অনেক মায়েরা বিধবা কার্ডের টাকায় সঠিক ভাবে পায় না আর তোমরা যে ফ্যামিলি কার্ডের টাকা দিবা তার কি গ্যারান্টি আছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব ও রংপুর- ৪ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আখতার হোসেন।
তিনি বলেন, যদি তারা ফ্যামিলি কার্ড দেয় তাহলে বন্ঠনটা সঠিক হওয়া লাগবে। তারা বন্ঠনটা সঠিক ভাবে করতে পারবে? তারা জনগণের হকটা বুঝায় দিতে পারবে? এটা বুঝে শুনে আমাদের সিন্ধান্ত নিতে হবে।
রোববার দুপুরে রংপুরের পীরগাছা কুর্শা ইউনিয়নের মাটির জুম্মা এলাকায় নির্বাচনি উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।
আখতার হোসেন বলেন, গরীব দুস্থ, প্রতিবন্ধী, বিধবা তাদের জন্য ভাতা দেওয়ার নিয়ম। দুর্ভাগ্যের বিষয় এই ভাতা টাকাগুলো আমাদের মানুষেরা সহজ পথে পায় না। ভাতার জন্য মানসম্মান ধুলার সাথে মিশায় দেওয়া লাগে। একজন মানুষের ৭০ বছর বয়স, একজন মানুষ প্রতিবন্ধী, একজন মানুষের স্বামী নেই তবুও এই মানুষগুলো বয়ষ্ক ভাতা পেতে হলে অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয়। এই জায়গা পরিবর্তন দরকার। এই ভাতাগুলো নেতার উপরে নির্ভরশীল দেওয়া না লাগে মানুষের যেটা ন্যায্য হক আছে তারা যেনো পায় সেটার ব্যবস্থা করার দরকার আছে। আমরা সেরকম ব্যবস্থা করবো ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ্ যদি আমাকে শাপলা কলি মার্কায় বিজয় করে গরীব দুস্থ, প্রতিবন্ধী, বিধবা ভাতা যার যেটা ন্যায্য হিস্যা আছে আমরা তাদের কাছে পৌঁছায় দিবো ইনশাআল্লাহ।
এনসিপির সদস্য সচিব বলেন, আমি যদি এমপি হয় তাহলে কোন মন্ত্রণালয়ের কি কাজ সেটা জন্য একটা টিম থাকবে। যারা এই জিনিসগুলো জানবে জেনে জেনে আমাদের এলাকার যেটা ন্যায্য হিস্যা সেটা আমরা নিয়ে আসবো ইনশাআল্লাহ্। আগে এই কাজগুলো জেনে জেনে নিয়ে আসবে সেই মানুষগুলো ছিলা না। তাদের ব্যাপার ছিলো আলাদা। তাদের ব্যবসা বাণিজ্য সামলাতেই ব্যস্ত আপনাদের বিষয় দেখবে কখন। তাই আমরা স্পেশাল টিমকে দায়িত্ব দিবো। আমরা গ্রাম অঞ্চল দিয়ে ঘুড়ি রাস্তা ঘাটের বেহাল দশা। আমি তো খেয়াল করি দেখি যদি শীত কালে ভোট না হয়ে বর্ষা কালে হতো তাহলে কোন নেতাকে জনগণ যেতে দিতো না।
তিনি বলেন, আল্লাহ যদি আমাকে এমপি বানায় ঐ সংসদে দাড়িয়ে রংপুরের বৈষম্য দূর করার জন্য কথা বলবো ইনশাআল্লাহ। এই জন্য সিন্ধান্ত নেওয়ার সময়ে আমাদেরকে খুব সাবধান থাকতে হবে। আমরা কি ভুল সিন্ধান্ত নিবো না সঠিক সিন্ধান্ত নিবো? এই ঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ কি জানেন? ভোটের আগের রাতে ঐ লোক গুলো আসবে এসে বলবে ভাই ৫ বছর কি পাবেন, না পাবেন তার তো গ্যারান্টি নাই। আজ রাতে যে টাকা দিলাম কালকে ভোটটা দিয়েন আমাকে। আজকে নেতার কাছে টাকা খায়া ভোট দিবেন আর যখন নেতার কাছে যাবেন তখন কি বলবে নেতা যানেন?
তিনি ভোট চেয়ে বলেন, আপনাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে যাবেন তখন তাদেরকে বলবেন আখতার হোসেন আপনার এলাকার ছেলে, আমি যে আপনাদের পরিকল্পনা কথা বলেছি সেগুলো তাদেরকে বললেন যদি পরিকল্পনাগুলো ভালে লাগে তাহলে শাপলা কলি মার্কায় ভোট দিন। আমি তো কোটি টাকার ভোট করতে পারবো না। ওটা তো করা উচিৎও না। আমাকে ভোট করা লাগবে আপনাদের কথায়, আপনাদের উপরে আমার বিশ্বাস আছে। সবাই দোয়া করবেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

