অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব থেকে নির্বাচনে বিজয়ী দলের মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়া স্বার্থের সংঘাত তৈরি করে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুল রহমান বলেছেন, “আমি তো জোর করে যাইনি। একেকজনের একেকজন সম্পর্কে একটা প্রাথমিক ধারণা থাকতে পারে, সেটা পরিবর্তনও হয়”।
বুধবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে বাংলাদেশ সফররত নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মার সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা খলিলুর রহমান বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়কার ফরেন পলিসিতে ফেরত যাচ্ছে বাংলাদেশ।
“আমরা পররাষ্ট্র কর্মকাণ্ডে আমাদের জাতীয় স্বার্থ পই পই করে বুঝে নেবো,” বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়া রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় যেভাবে কাজ চলছিল সেটা কোনোভাবেই কমবে না, বরং বাড়বে বলেও জানান তিনি।
খলিলুর রহমান বলেন, “আমরা সকল দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই আমাদের স্বার্থ বজায় রেখে”।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ এর অভিযোগ যারা করছেন তাদেরকে আরেকবার ভোট গণনার আহ্বান জানিয়েছেন খলিলুল রহমান।
তিনি বলেন, “অনেকে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কথা বলছেন। তার মানে গণনা ঠিক হয়নি তাই তো? গুনে নেন আরেকবার, গুণতে তো সমস্যা নেই”।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

